চলতি বছর ফিতরার হার নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ১১০ থেকে সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

লেখক: Arisha Eme
প্রকাশ: ২ মাস আগে
চলতি বছর ফিতরার হার নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ১১০ থেকে সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

চলতি ১৪৪৭ হিজরি সনের জন্য সরকারের ফিতরা হার নির্ধারণ করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।

সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মুসলিমরা আটা, যব, খেজুর, কিসমিস বা পনিরের যে কোনো একটি পণ্য বা এর সমমূল্য অর্থ দিয়ে সাদাকাতুল ফিতরা আদায় করতে পারবেন। নির্ধারিত হার অনুযায়ী আটা বা গম দিয়ে ফিতরা দিলে ১১০ টাকা, যব ৫৯৫ টাকা, খেজুর ২৪৭৫ টাকা, কিসমিস ২৬৪০ টাকা এবং পনির ২৮০৫ টাকা প্রদান করতে হবে।

সভায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজার মূল্য বিবেচনা করে এই হার নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারে দাম সামান্য তারতম্য থাকলেও মুসলিমরা সেই অনুপাতে ফিতরা প্রদান করলে তা বৈধ হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরস সদস্য মাওলানা মাহফুজুল হক, দ্বিনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস ড. ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু সালেহ পাটোয়ারী, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কাশেম মো. ফজলুল হক, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী ও রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মহিউদ্দিন।

ফিতরা প্রদান ইসলামী শরীয়াহর একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মুসলিমরা নিজ সক্ষমতার সীমায় ফিতরা আদায় করে দরিদ্র ও দুঃস্থদের সহায়তা করতে পারবেন, যা রমজানের মূল উদ্দেশ্য পূরণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত।