
সারাদেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি শান্ত হয়নি। পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন ও ভিড় দেখা যাচ্ছে, যেখানে আইনি শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া অবৈধ মজুদ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন জেলায় অভিযান চলছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৭ হাজার লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনে সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন, যেখানে মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি ও পরিবহন চালকরা তেলের জন্য অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন। নেত্রকোনায় জেলা প্রশাসন মোবাইল কোর্ট অভিযান চালাচ্ছে এবং ডিপো থেকে সরবরাহ শুরু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। একাধিক অভিযানে ৮০০ লিটার পেট্রোল ও ৩,৫০০ লিটার ডিজেল জব্দ হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন, শিবগঞ্জের দাদনচক পাম্পে তেল নেওয়া নিয়ে হাতাহাতি এবং রাজবাড়ীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরলেও ভোগান্তি এখনও কাটেনি। চাঁদপুরে পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও, সারাদিন মোটরসাইকেল লাইনের দীর্ঘতা দেখা গেছে।
বিশ্বব্যাপী মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বাংলাদেশেও তেলের সরবরাহে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এই সুযোগে অবৈধ মজুদ ও তেল পাচারের ঘটনা ঘটছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১৭টি জেলায় অবৈধভাবে তেল মজুদ এবং পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। তেলের এই সঙ্কট সাময়িক হলেও নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে।
