রাত যত গভীর হয়, পৃথিবীর শব্দ তত কমে আসে।
শহর ঘুমিয়ে পড়ে। পরিচিত মানুষেরা ব্যস্ততা গুটিয়ে নেয়। ফোনের পর্দাও একসময় নীরব হয়ে যায়। অথচ আমার কম্পিউটারের পর্দায় তখনো আলো জ্বলে।
সেই আলোয় আমি একটি স্বপ্নের মুখ দেখি।
তার নাম পথিক।
কখনো তাকিয়ে থাকি। কখনো ভাঙি, আবার গড়ি। কখনো মনে হয়, এই তো, আর একটু গেলেই হয়তো স্বপ্নটা হাত দিয়ে ছোঁয়া যাবে। আবার কোনো কোনো রাতে মনে হয়, আমি কি এমন একটি পথ ধরে হাঁটছি, যার শেষ কোথায়, সেটিই জানি না?
সত্যিই জানি না।
পথিক শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, কত মানুষ তাকে গ্রহণ করবে, আমার এই চেষ্টা কোনো একদিন একটি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস হবে, নাকি ইন্টারনেটের অসংখ্য হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নের ভিড়ে আরেকটি নাম হয়ে থাকবে, তার কোনো উত্তর আমার কাছে নেই।
শুধু এটুকু জানি, আমি চেষ্টা করছি।
আর মানুষের জীবনে কখনো কখনো এই ‘চেষ্টা করছি’ কথাটুকুই তার সমস্ত সম্বল হয়ে ওঠে।
কিছু স্বপ্ন মানুষ নির্বাচন করে না
আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, মানুষ সব স্বপ্ন নিজে নির্বাচন করে না। কিছু স্বপ্নই বরং মানুষকে নির্বাচন করে নেয়।
তারপর তাকে আর শান্তিতে থাকতে দেয় না।
দিনের ভেতর মনে পড়ে।
রাতের ভেতর মনে পড়ে।
মানুষের ভিড়েও মনে পড়ে।
একটি কাজ শেষ করলে মনে হয় আরেকটি কাজ বাকি। একটি সমস্যা সমাধান হলে সামনে আরেকটি প্রশ্ন এসে দাঁড়ায়।
পথিক আমার জীবনে ঠিক এভাবেই এসেছে।
প্রথমে হয়তো একটি মাধ্যমের কথা ভেবেছিলাম। তারপর সাংবাদিকতার দীর্ঘ পরিচিত পৃথিবীটাকে অন্যভাবে দেখতে শুরু করলাম।
একজন সাংবাদিক সংবাদ লেখেন। ছবি তোলেন। ভিডিও করেন। মানুষের কথা রাষ্ট্রের কাছে, রাষ্ট্রের কথা মানুষের কাছে পৌঁছে দেন। ইতিহাসের প্রথম খসড়া তাঁর হাত দিয়েই লেখা হয়।
কিন্তু সেই মানুষটির নিজের জন্য আমরা কতটুকু জায়গা তৈরি করেছি?
তার পেশাগত পরিচয় কোথায়?
তার কাজের আর্কাইভ কোথায়?
তার সহকর্মীদের সঙ্গে সংযোগের নিজস্ব পৃথিবী কোথায়?
তার শেখার জায়গা, কাজ খোঁজার জায়গা, নিজের দক্ষতা দেখানোর জায়গা কোথায়?
প্রশ্নগুলো আমাকে তাড়া করতে শুরু করল।
সেখান থেকেই হয়তো পথিক আর একটি ওয়েবসাইট থাকল না।
ধীরে ধীরে আমার কাছে এটি হয়ে উঠল একটি অসমাপ্ত মানচিত্র।
আমি সেই মানচিত্রে একটার পর একটা বিন্দু বসাতে শুরু করলাম।
সংবাদ।
সাংবাদিক।
কমিউনিটি।
নিউজরুম।
সাহিত্য।
তথ্য যাচাই।
শেখা।
কাজ।
প্রযুক্তি।
যোগাযোগ।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
মানুষের নিজের পরিচয়।
একসময় দেখলাম, বিন্দুগুলো একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত হতে শুরু করেছে।
আর আমি নিজেই ভয় পেয়ে গেলাম স্বপ্নটির আকার দেখে।
স্বপ্ন বড় হলে নিঃসঙ্গতাও বড় হয়
বড় স্বপ্নের ছবি বাইরে থেকে সুন্দর।
তার ভেতরের দৃশ্যটা অত সুন্দর নয়।
সেখানে অনিশ্চয়তা আছে। ব্যর্থতা আছে। অর্থের হিসাব আছে। প্রযুক্তির জটিলতা আছে। নিজের সিদ্ধান্ত নিয়েই নিজের সন্দেহ আছে।
আর আছে এক ধরনের নিঃসঙ্গতা।
একটি সমস্যায় আটকে গেলে কখনো মনে হয়, পাশে যদি এমন একজন মানুষ থাকত, যাকে বলা যেত, “দেখো তো, কোথায় ভুল করছি?”
কোনো নতুন কিছু তৈরি হলে মনে হয়, কাউকে ডেকে বলি, “দেখো, এবার হয়তো কিছু একটা হলো।”
কিন্তু সব আনন্দেরও শ্রোতা থাকে না।
সব হতাশারও সাক্ষী থাকে না।
কিছু লড়াই মানুষকে নিজের ঘরের ভেতর, নিজের টেবিলের সামনে, নিজের সঙ্গে বসেই লড়তে হয়।
সেই লড়াইয়ে হাততালি নেই।
দর্শক নেই।
শুধু মানুষটি জানে, গতকাল যে জায়গায় আটকে গিয়েছিল, আজ সেখান থেকে সে এক ইঞ্চি সামনে এসেছে।
এক ইঞ্চি।
পৃথিবীর কাছে যার কোনো মূল্য নেই।
কিন্তু একজন স্বপ্নবাজের কাছে কখনো কখনো সেই এক ইঞ্চিই একটি মহাদেশ।
কতবার যে ভেঙেছে
পথিক তৈরি করতে গিয়ে আমি বুঝেছি, স্বপ্ন কাগজে যত সুন্দর, বাস্তবতায় তত অবাধ্য।
ভাবনায় সবকিছু কাজ করে।
বাস্তবে বোতাম কাজ করে না।
লগইন হয় না।
ছবি আসে না।
এক জায়গা ঠিক করলে আরেক জায়গা ভেঙে যায়।
যে জিনিসটি রাতে নিখুঁত মনে হয়েছিল, সকালে তাকিয়ে মনে হয়, না, এটা আমি চাইনি।
আবার শুরু করি।
ভাঙি।
গড়ি।
আবার ভাঙি।
কখনো কখনো নিজের কাছেই প্রশ্ন করেছি,
আমি কি অযথা এত দূর চলে যাচ্ছি?
উত্তর পাইনি।
তারপর আবার কাজ শুরু করেছি।
মানুষের জীবনে কিছু প্রশ্ন থাকে, যার উত্তর চিন্তা করে পাওয়া যায় না। হাঁটতে হাঁটতেই উত্তর খুঁজতে হয়।
পথিক আমার কাছে সেই রকম একটি প্রশ্ন।
যারা বিশ্বাস করেন না, তাঁদের প্রতিও আমার কোনো অভিযোগ নেই
কেনই বা সবাই বিশ্বাস করবে?
একজন মানুষ একটি স্বপ্ন দেখলেই পৃথিবীর দায়িত্ব নয় তাকে সত্য বলে মেনে নেওয়া।
কেউ হয়তো পথিক দেখে সম্ভাবনা দেখবেন।
কেউ ত্রুটি দেখবেন।
কেউ বলবেন, এত কিছু একসঙ্গে করা অসম্ভব।
কেউ হয়তো আড়ালে হাসবেন।
কেউ অপেক্ষা করবেন, কবে থেমে যাই।
আবার এমন মানুষও থাকবেন, যিনি কিছু বলবেন না, শুধু নীরবে চাইবেন আমি যেন পারি।
সবাইকে আমার প্রয়োজন।
যিনি প্রশংসা করেন, তিনি আমাকে সাহস দেন।
যিনি ভুল ধরেন, তিনি আমাকে সংশোধনের সুযোগ দেন।
আর যিনি বিশ্বাস করেন না, তিনিও আমাকে একটি প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দেন:
আমি কি সত্যিই পারব?
এই প্রশ্নের উত্তর মুখে দিতে চাই না।
কাজ দিয়ে দিতে চাই।
কারণ সময়ের একটি অদ্ভুত স্বভাব আছে।
সময় তর্ক করে না।
সময় অপেক্ষা করে।
তারপর একদিন ফলাফল সামনে রেখে বলে, কে কতটুকু ঠিক ছিল।
পথিক আমার, কিন্তু শুধু আমার নয়
এই জায়গায় এসে একটি কঠিন সত্য বুঝতে শিখছি।
পথিক যদি শুধু আমার স্বপ্ন হয়, তাহলে তার আয়ু আমার সামর্থ্য পর্যন্ত।
আমি ক্লান্ত হলে সে ক্লান্ত হবে।
আমি থামলে সে থেমে যাবে।
আমি না থাকলে সে হারিয়ে যাবে।
তাহলে এত আয়োজনের অর্থ কী?
আমি চাই, কোনো একদিন একজন তরুণ সাংবাদিক পথিকে এসে অনুভব করুক, এখানে তারও একটি জায়গা আছে।
কোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলের সংবাদকর্মী যেন মনে না করেন, রাজধানী থেকে দূরে থাকার কারণে তিনি পৃথিবীর প্রযুক্তি থেকেও দূরে।
একজন শিক্ষার্থী এখানে এসে একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিককে খুঁজে পাক।
একজন সাংবাদিক নিজের কাজের পরিচয় তৈরি করতে পারুক।
কেউ কাজ খুঁজে পাক।
কেউ মানুষ খুঁজে পাক।
কেউ একটি তথ্য যাচাই করার পথ খুঁজে পাক।
কেউ হয়তো শুধু একজন সহকর্মী খুঁজে পাক, যাকে রাত দুইটায় বলা যায়,
“ভাই, একটা বিষয় বুঝতে পারছি না।”
প্রযুক্তি শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে পৌঁছাতে না পারলে সেটি শুধু কোড।
আমি কোডের পাহাড় বানাতে চাই না।
আমি মানুষের কাজে লাগে এমন একটি জায়গা তৈরি করতে চাই।
সবচেয়ে বড় ভয় ব্যর্থ হওয়া নয়
ব্যর্থতা নিশ্চয়ই ভয়ংকর।
একদিন যদি পথিক না থাকে, কষ্ট হবে।
আমার অসংখ্য রাত, শ্রম, পরিকল্পনা, ভুল, সংশোধন সবকিছু মনে পড়বে।
কিন্তু তার চেয়েও ভয়ংকর একটি সম্ভাবনা আছে।
বহু বছর পর একদিন যদি নিজের জীবনটার দিকে ফিরে তাকিয়ে মনে হয়,
“আরেকটু চেষ্টা করলে হয়তো পারতাম।”
এই বাক্যটি আমি বহন করতে চাই না।
ব্যর্থতার ক্ষত একসময় শুকিয়ে যায়।
কিন্তু চেষ্টা না করার অনুশোচনা সম্ভবত বৃদ্ধ হয় না।
মানুষের সঙ্গে সঙ্গে সেটিও বৃদ্ধ হয়।
তাই আমি ব্যর্থতার অনুমতি নিজেকে দিয়েছি।
কিন্তু চেষ্টা না করার অনুমতি এখনো দিতে পারিনি।
আমি কোনো বিজয়ের গল্প লিখছি না
কারণ আমি এখনো বিজয়ী নই।
আমার হাতে দেখানোর মতো বিশাল কোনো সাফল্যের হিসাব নেই।
তাই পথিক নিয়ে কোনো কিংবদন্তি বানাতে চাই না।
আমি এখনো নির্মাণস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা একজন মানুষ।
চারদিকে ইট, বালি, ধুলো।
কোথাও দেয়াল উঠেছে।
কোথাও জানালা বসেনি।
কোথাও দরজা আছে, খুলছে না।
কোথাও আবার শুধু নকশা।
এই অসমাপ্ত অবস্থাটাকেই আমি স্বীকার করতে চাই।
কারণ অসমাপ্ত হওয়ার মধ্যেও একটি সৌন্দর্য আছে।
তার মানে সামনে এখনো সম্ভাবনা আছে।
মাঝেমধ্যে ভবিষ্যতের একটি সকাল কল্পনা করি
হয়তো কোনোদিন আমি পথিকের সামনে বসে থাকব না।
অন্য কেউ কাজ করবে।
অন্য কেউ সিদ্ধান্ত নেবে।
অন্য কোনো তরুণ সাংবাদিক নিজের প্রোফাইল খুলবে।
কেউ একটি সংবাদ প্রকাশ করবে।
কেউ সহকর্মীকে অনুসরণ করবে।
কেউ নতুন কাজ খুঁজবে।
কেউ একটি তথ্য যাচাই করবে।
কেউ নতুন কিছু শিখবে।
তারা হয়তো জানবেও না এই ছোট ছোট সুবিধাগুলোর কোনো একটি তৈরি করতে গিয়ে কোনো এক অচেনা রাতে একজন মানুষ কতবার ব্যর্থ হয়েছিল।
জানার প্রয়োজনও নেই।
একটি সেতু পার হওয়ার সময় আমরা কি প্রতিটি শ্রমিকের নাম জানি?
জানি না।
তবু সেতুটি আমাদের নদী পার করে দেয়।
সৃষ্টির সবচেয়ে সুন্দর পরিণতি সম্ভবত এখানেই।
একদিন সৃষ্টি স্রষ্টার পরিচয়ের প্রয়োজন অতিক্রম করে যায়।
আমি যদি পথিককে সেই পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারি, সেটিই যথেষ্ট।
আমার কাছে কোনো মানচিত্র নেই
আমি জানি না সামনে কতটা পথ।
কোন বাঁকের পরে কী অপেক্ষা করছে, তাও জানি না।
হয়তো সামনে এমন বাধা আসবে যা আজ কল্পনাও করতে পারছি না।
হয়তো কোনোদিন পথ বদলাতে হবে।
হয়তো কিছু স্বপ্ন নিজ হাতে বাদ দিতে হবে।
হয়তো আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হবে।
কিন্তু শূন্যকে আমি এখন আর অত ভয় পাই না।
কারণ এতদিনে শিখেছি,
শূন্য মানেই শেষ নয়।
শূন্য কখনো কখনো আবার শুরু করার সবচেয়ে পরিষ্কার জায়গা।
শেষ পর্যন্ত পথিক কোথায় যাবে?
এই প্রশ্নের উত্তর আজও আমার জানা নেই।
হয়তো অনেক দূর।
হয়তো খুব বেশি দূর নয়।
হয়তো আমি যে পথ কল্পনা করছি, পথিক সেই পথেই যাবে না। নিজের পথ নিজেই খুঁজে নেবে।
তবু আমি হাঁটছি।
কারণ পৃথিবীর সব পথ গন্তব্য জেনে শুরু হয়নি।
কোনো কোনো পথের জন্ম হয়েছে শুধু এই কারণে যে, একজন মানুষ সামনে রাস্তা না দেখেও প্রথম পা-টি রেখেছিল।
তারপর দ্বিতীয় পা।
তারপর আরেকটি।
একদিন পেছনে তাকিয়ে দেখা গেছে, সেখানে সত্যিই একটি পথ তৈরি হয়েছে।
আমি সেই প্রথম কয়েকটি পায়ের ছাপ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
আজ আমার সামনে অনিশ্চয়তা আছে।
পাশে বিশাল কোনো কাফেলা নেই।
কখনো ক্লান্তি আছে।
কখনো ভয় আছে।
কখনো নিজের প্রতিই সংশয় আছে।
তারপরও কোথাও একটি ছোট্ট আলো নিভতে চায় না।
সেই আলো আমাকে আবার কম্পিউটারের সামনে বসায়।
আবার একটি ভুল ঠিক করতে বলে।
আবার নতুন করে ভাবতে বলে।
আবার বলে,
আরেকবার চেষ্টা করো।
হয়তো এটাই স্বপ্ন।
যে জিনিস মানুষকে ঘুমাতে দেয় না, অথচ বেঁচে থাকার একটি কারণ দেয়।
আমি জানি না পথিক কোনোদিন ইতিহাস হবে কি না।
কিন্তু আমি চাই না এটি শুধু আমার মাথার ভেতর জন্ম নেওয়া এবং আমার মাথার ভেতরই মরে যাওয়া একটি স্বপ্ন হয়ে থাকুক।
তাই তাকে পৃথিবীর সামনে রেখে যাচ্ছি।
অসম্পূর্ণ অবস্থায়।
ভুলসহ।
সম্ভাবনাসহ।
আমার সমস্ত সীমাবদ্ধতাসহ।
যারা ভালোবাসবেন, তাঁদের ভালোবাসা নিয়ে।
যারা সমালোচনা করবেন, তাঁদের প্রশ্ন নিয়ে।
যারা বিশ্বাস করবেন না, তাঁদের সংশয় নিয়েও।
কারণ পথিক শব্দটির মধ্যেই তো যাত্রা আছে।
পথিকের কাজ গন্তব্যে বসে থাকা নয়।
তার কাজ হাঁটা।
আমিও হাঁটছি।
গন্তব্য জানি না।
শুধু মনে হয়, মানুষের জীবনে এমন অন্তত একটি পথ থাকা দরকার, যে পথের শেষে কী আছে জানা না থাকলেও সে বলতে পারে,
এই পথটুকু আমি ভয়কে জিজ্ঞেস করে হাঁটিনি।
একদিন পথিক সফল হোক কিংবা হারিয়ে যাক, আমার জীবনের কাছে আমার শুধু একটি দাবি থাকবে:
যেন শেষ বয়সে ফিরে তাকিয়ে বলতে পারি,
আমি শুধু একটি স্বপ্ন দেখিনি।
আমি তাকে পৃথিবীতে নামিয়ে আনার চেষ্টা করেছিলাম।
আর যদি কোনো একদিন আমার রেখে যাওয়া ছোট্ট সেই পথ ধরে অন্য কেউ আরও অনেক দূর চলে যায়,
তাহলে হয়তো সেদিনই পথিক তার সত্যিকারের গন্তব্য খুঁজে পাবে।
আমি না জানলেও।
আমি না থাকলেও।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।