— বিজ্ঞাপন —

অবশেষে চাকরি থেকে বরখাস্ত সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন-অর রশীদ

অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
Share this storyWith image, headline and summary
Facebook WhatsApp X Telegram

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার ও গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে এ গুরুদণ্ড দেওয়া হয়। শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন পুলিশের সাবেক এই ডিআইজি। তার বিরুদ্ধে পলায়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত হন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, হারুন-অর রশীদের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং ই-মেইল ঠিকানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেয় পুলিশ সদর দপ্তর। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয় এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো লিখিত জবাব দেননি এবং সময় বাড়ানোরও কোনো আবেদন করেননি।

পরবর্তীতে অভিযোগ তদন্তের জন্য ২২ জুন একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে ৬ আগস্ট দাখিল করা প্রতিবেদনে হারুন-অর রশীদের বিরুদ্ধে পলায়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়। তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনার পর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না কেন, তা জানতে ২০ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেটিরও কোনো জবাব দেননি।

প্রস্তাবিত এই গুরুদণ্ডের বিষয়ে ২১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ চাওয়া হলে ১ অক্টোবর কমিশন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের পক্ষে মতামত প্রদান করে। এর ধারাবাহিকতায় ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেন। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার পলায়নের তারিখ অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকেই এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: সমকাল
পাঠকের মতামত

মন্তব্য ০

আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।

পথিক নেটওয়ার্কআমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম
PothikTV ভিডিও ও লাইভ সম্প্রচার ↗ PothikTV সাহিত্য সাহিত্য, সংস্কৃতি ও লেখকবৃন্দের মঞ্চ ↗ PothikTV Marketplace বই ও শিক্ষণ সামগ্রী ↗ PothikTV Media Center মিডিয়া সংস্থা ও সেবাসমূহ ↗