
লাইভ বেকারির মালিক ইউসুফ খন্দকারের প্রতি মাসের বিক্রি এখন১লক্ষ ৮০হাজার টাকা।
সব খরচ বাদ দিয়ে মাসে লাভ থাকে৩৫থেকে ৪০ হাজার টাকা। রেখেছেন দুজন কর্মচারী।
ব্যবসার মাধ্যমে সম্প্রতি শোধ করেছেন ২০ হাজার টাকার ঋণ।
অথচ ইসুফ খন্দকারের দিনযাপন এতটাও সহজ ছিল না। ৩ মেয়ে ২ ছেলের বাবা তিনি। কষ্ট করে মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। ছেলেরা ছোট থাকায় সংসারের একমাত্র উপার্জক্ষম ব্যক্তি তিনি। অথচ তার বয়স ৫০ পেরিয়েছে বেশ আগেই।
ব্যবসাটা শুরু করার আগে ইউসুফ খন্দকার ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেকারিতে কাজ করেছেন দীর্ঘ ১৫ বছর। যা বেতন পেতেন তাতে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলত সংসার।
বেকারির কাজে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেও পুঁজির অভাবে নিজে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে পারছিলেন না তিনি।
এ সময় আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের দক্ষতাভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি প্রকল্পের বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে তার। আশান্বিত হয়ে আবেদন করেন তিনি।
শুরু হয় যাচাই-বাছাই। বেকারির কাজে তার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও দরিদ্রতা বিবেচনায় রেখে গৃহীত হয় তার আবেদন।
একটি বেকারির জন্য তিন ধাপে তাকে দেয়া হয় ২ লক্ষ টাকা। এ টাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কুড়িঘর বাজারে তিনি তৈরি করেছেন একটি লাইভ বেকারি।
বেকারিতে বানাচ্ছেন কেক, বিস্কুট, পাউরুটি, চিকেন ফ্রাই, বার্গার, চিকেন স্যান্ডউইচ, পিৎজা, চিকেন রোল, প্যাটিস ইত্যাদি।
ইউসুফ খন্দকারের এই সাফল্যে আমরা আনন্দিত।
