প্রযুক্তি ডেস্ক: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ন
প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সাথে সাথে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সংযোগের মান ও গতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে ওয়াই-ফাই ৫ এবং ওয়াই-ফাই ৬-এর মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মূল পার্থক্য রয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে।
ওয়াই-ফাই অ্যালায়েন্স ২০১৩ সালে ৮০২.১১এসি (802.11ac) নামে ওয়াই-ফাই ৫ স্ট্যান্ডার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করে। দীর্ঘ সময় পার হলেও এবং প্রযুক্তিগতভাবে প্রায় ১৩ বছরের পুরোনো হওয়া সত্ত্বেও এখনও অনেক ডিভাইসে ওয়াই-ফাই ৫-এর সমর্থন বা সাপোর্ট দেখা যায়।
অন্যদিকে, ওয়াই-ফাই ৬ বা ৮০২.১১এএক্স (802.11ax) স্ট্যান্ডার্ডটি অপেক্ষাকৃত নতুন। ওয়াই-ফাই অ্যালায়েন্স ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়াই-ফাই ৬ প্রযুক্তি সামনে আনে। সাত বছরের পুরোনো এই প্রযুক্তিটি বর্তমানে বিভিন্ন আধুনিক ডিভাইসে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বর্তমানে বাজারজাত করা অধিকাংশ ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনে ওয়াই-ফাই ৬-এর সমর্থন সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে। যদিও ২০২৪ সালে ওয়াই-ফাই ৭ বাজারে আসার পর এটিই এখন সবচেয়ে উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি হিসেবে গণ্য হচ্ছে, তবুও ওয়াই-ফাই ৬ এর জনপ্রিয়তা ও কার্যকারিতা বেশ জোরালো।
উচ্চ ব্যান্ডউইথের কাজগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে ওয়াই-ফাই ৫-এর তুলনায় ওয়াই-ফাই ৬ অনেক বেশি দক্ষ ও কার্যকর। এটি তাত্ত্বিকভাবে সর্বোচ্চ প্রতি সেকেন্ডে ৯.৬ গিগাবিট (9.6Gbps) পর্যন্ত গতি দিতে সক্ষম। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের এই গতি ডিভাইস এবং পরিবেশের ওপর নির্ভর করে কিছুটা কম হতে পারে।
অনলাইনে প্রতিযোগিতামূলক গেম খেলা, উচ্চমানের বা হাই-ডেফিনিশন (HD) ভিডিও কন্টেন্ট দেখা এবং একই সাথে একাধিক বড় ফাইল ডাউনলোডের মতো কাজের জন্য ওয়াই-ফাই ৬ প্রযুক্তি অত্যন্ত উপযোগী। একাধিক ডিভাইস একসাথে যুক্ত থাকলেও ওয়াই-ফাই ৬ গতি ও সংযোগের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।