কাবা শরিফ দেখার দোয়া ও তাওয়াফের আমল

লেখক: Arisha Eme
প্রকাশ: ৫ ঘন্টা আগে
 কাবা শরিফ দেখার দোয়া ও তাওয়াফের আমল

মসজিদুল হারামে প্রবেশ করার পর পবিত্র কাবা শরিফ চোখে পড়লে নিচের দোয়াটি পড়া উত্তম—

اللهمَّ زِدْ هذا البيتَ تشريفًا وتعظيمًا وتكريمًا ومهابَةً وزِدْ مِن شرَفِهِ وعِظَمِهِ مِمَنْ حجَّهُ أو اعتَمرَهُ تشريفًا وتكريمًا وتعظيمًا ومهابَةً وبِرًا

এর অর্থ হলো—হে আল্লাহ! আপনি এই ঘরকে আরও বেশি সম্মান, মর্যাদা, মহিমা ও ভক্তিতে পরিপূর্ণ করুন এবং যারা হজ বা উমরা করে, তাদের মাধ্যমে এই ঘরের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করুন, তাদেরকেও সম্মান ও কল্যাণ দান করুন। তাবেঈ মাকহুল (রহ.) বর্ণনা করেছেন যে মুহাম্মদ (সা.) কাবা দেখে এই দোয়াটি পড়তেন।

তাওয়াফের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট বাধ্যতামূলক দোয়া নেই। যে কোনো দোয়া, জিকির বা কোরআনের আয়াত পাঠ করা যায়। তবে প্রতি চক্করের শুরুতে হাজরে আসওয়াদের দিকে তাকিয়ে “আল্লাহু আকবার” বলা সুন্নত। এ বিষয়ে সহিহ বুখারি-তে বর্ণনা রয়েছে যে নবিজি (সা.) তাওয়াফের সময় হাজরে আসওয়াদের দিকে ইশারা করে তাকবির দিতেন।

রুকনে ইয়ামানি থেকে হাজরে আসওয়াদের দিকে যাওয়ার সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া পড়ার কথা হাদিসে এসেছে—

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنۡیَا حَسَنَۃً وَّ فِی الۡاٰخِرَۃِ حَسَنَۃً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ

এর অর্থ—হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দিন, আখেরাতেও কল্যাণ দিন এবং জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন। এই দোয়াটি সুরা বাকারা-এর ২০১ নম্বর আয়াতে এসেছে এবং সুনানে আবু দাউদ-তেও এর উল্লেখ রয়েছে।

সবশেষে, তাওয়াফের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো একাগ্রতা, বিনয় ও আন্তরিকতা। নির্দিষ্ট শব্দের চেয়ে আল্লাহর কাছে হৃদয় থেকে দোয়া করাটাই অধিক গ্রহণযোগ্য।

  • কাবা শরিফ দেখার দোয়া ও তাওয়াফের আমল