জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দূরপাল্লার পাশাপাশি জেলার অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী গণপরিবহনের ভাড়াও বেড়েছে। নতুন নির্ধারিত ভাড়ার কথা বলে কোথাও কোথাও এর চেয়েও বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
মঙ্গলবার থেকে আগের ভাড়ার সঙ্গে প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা হারে ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। তবে যাত্রীদের অভিযোগ, নতুন ভাড়ার অজুহাতে বিভিন্ন রুটে নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। এতে প্রতিদিনের যাতায়াতে বাড়তি খরচের বোঝা বইতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের।
নিয়মিত যাতায়াতকারী কয়েকজন যাত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব এমনিতেই পরিবহন খাতে পড়েছে। এর সঙ্গে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর চাপ আরও বাড়বে। চলতি বছরেই দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সংসারের ব্যয় সামলাতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানান তারা। যাত্রীদের আশঙ্কা, পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ অন্যান্য পণ্যের বাজারেও।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ মিয়া বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় প্রতিদিন একটি বাস পরিচালনায় অন্তত দুই হাজার টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। এ কারণে সাময়িকভাবে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা ছাড়া উপায় ছিল না।
তবে যাত্রীদের দাবি, নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর নজরদারি করতে হবে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সমন্বয় করে ভাড়া নির্ধারণ হলেও যেন যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করা হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।