বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ ও তাঁর স্ত্রী সুনীতা আহুজার দীর্ঘদিনের বৈবাহিক সম্পর্কে টানাপোড়েন এবং বিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলে সম্প্রতি বেশ কয়েকবার প্রকাশ্যে কথা বলেন সুনীতা। তবে এবার এসব অভিযোগের জবাবে মুখ খুলেছেন ৬২ বছর বয়সী এই অভিনেতা। তিনি দাবি করেছেন, অন্য কোনো ব্যক্তি বা তৃতীয় পক্ষ তাঁর স্ত্রীকে প্রভাবিত করছে।
এক সাক্ষাৎকারে গোবিন্দ জানান, কাউকে প্রকাশ্যে অপমান বা বিব্রত করা তাঁর স্বভাবসিদ্ধ বিষয় নয়। এই ধরনের জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা তিনি বহু আগেই করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, তাঁদের দুজনকে ঘিরে একটি পরিকল্পিত খেলা চলছে এবং তাঁর নামের সঙ্গে সব সময় বদনাম জড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
সুনীতার করা অভিযোগগুলো এড়িয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে গোবিন্দ বলেন, যাঁরা তাঁর স্ত্রীকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন, তাঁরা একসময় ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। তখন তাঁরা বুঝতে পারবেন যে গোবিন্দর সঙ্গে ভুল করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, কোনো ফাঁদে পা না দিয়ে অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন তিনি, যাতে ভবিষ্যতে স্পষ্ট হয় যে তিনি সম্মানের সঙ্গেই আচরণ করেছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন গোবিন্দ ও সুনীতা আহুজা। এই দম্পতির টিনা ও যশবর্ধন নামে দুই সন্তান রয়েছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের নানা ঘটনা অতীতে আলোচনায় এলেও সম্প্রতি সুনীতার পরকীয়ার অভিযোগে বিষয়টি আবারও জনসমক্ষে আসে।
চলচ্চিত্র ‘রূপা’-র সহশিল্পী কোমল রানি স্বর্ণকারের সঙ্গে গোবিন্দর কথিত সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। লালবাগচা রাজা মন্দিরে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার ঘটনা আলোচনার সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে কোমল রানি এক বিবৃতিতে এই প্রেমের সম্পর্কের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।
অন্যদিকে, পরকীয়ার এই গুঞ্জনকে নিজের সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত বলে অভিহিত করেন গোবিন্দ। সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, তাঁকে পরিবার থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এমন কৌশলগত চক্রান্ত করা হয়েছে।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।