ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতিতে আলহাজ্ব নূরে আলম ছিদ্দিকী ত্যাগের প্রতিচ্ছবি

লেখক:
প্রকাশ: ১২ মাস আগে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপি রাজনীতির এক অন্যতম নাম—আলহাজ্ব নূরে আলম ছিদ্দিকী। মাঠ পর্যায়ে একাধারে রাজনৈতিক কর্মী, নেতা এবং ত্যাগের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছেন তিনি।

ফ্যাসিবাদের ঘন আঁধারে, যখন অনেকে নিরবতার পথ বেছে নিয়েছিলেন, তখন সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথে অবস্থান নেন নূরে আলম ছিদ্দিকী। নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন দৃঢ়ভাবে। তাঁর হাতে ছিল না অস্ত্র, কিন্তু কণ্ঠে ছিল প্রতিবাদের বজ্রনিনাদ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রচার-প্রচারণায় ছিলেন সবার আগে, সবার সামনে। রাজনীতিতে তাঁর এই নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগ অনেকের কাছে অনুকরণীয় হয়ে উঠেছে।

জনসাধারণ ও তৃণমূল কর্মীদের চোখে নূরে আলম ছিদ্দিকী একজন সৎ, নীতিবান ও আদর্শিক নেতা। তাঁর মতে, রাজনীতি মানেই মানুষের জন্য কাজ করা—দলের সীমানা ছাড়িয়ে মানুষের সেবাই ছিল তার মূল লক্ষ্য।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির ব্যানারে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, সত্য ও আদর্শের পথে থেকে জয়লাভ সম্ভব—সময় যাই হোক না কেন।

তবে এতসব অবদানের পরও বর্তমান জেলা কাউন্সিলে তাকে উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে না রেখে তাকে রাখা হয়েছে যুগ্ম সম্পাদক তিন পদে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক নেতা-কর্মী।

তবুও নূরে আলম ছিদ্দিকী থেমে যাননি। তিনি এখনো রাজপথে, আদর্শের প্রদীপ হাতে এগিয়ে চলেছেন। নেতাকর্মীদের কাছে তিনি এক নির্ভীক প্রহরী, এক নীরব বিপ্লবী।

রাজনীতির এই প্রতিকূল সময়ে আলহাজ্ব নূরে আলম ছিদ্দিকী হয়ে উঠেছেন ত্যাগ, আদর্শ ও সাহসের প্রতীক। দলমত নির্বিশেষে তাঁর এই সংগ্রামী জীবনের মূল্যায়ন সময়ের দাবি হয়ে উঠছে।