যমুনার বুকে সোনালি স্বপ্ন: সিরাজগঞ্জের চরে বদলে যাচ্ছে কৃষকের জীবন

লেখক: Arisha Eme
প্রকাশ: ৪ মাস আগে
যমুনার বুকে সোনালি স্বপ্ন: সিরাজগঞ্জের চরে বদলে যাচ্ছে কৃষকের জীবন

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর বুকে জেগে ওঠা পলিমাটিযুক্ত চরে এখন গড়ে উঠেছে সম্ভাবনাময় কৃষি অঞ্চল। স্বল্প খরচ ও কম পরিশ্রমে নারী–পুরুষ মিলেই এখানে গম, ভুট্টা, বাদাম, মিষ্টি আলু, তিল, তিসি, ধান, লাউ, মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন ও নানা শাক–সবজির আশাতীত ফলন ঘরে তুলছেন কৃষকেরা। পাশাপাশি গবাদি পশু পালন করেও অনেকেই স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চলে মোট ৬৮ হাজার ৩৫ হেক্টর জমির মধ্যে বর্তমানে ৪৬ হাজার ৭৫০ হেক্টরে বিভিন্ন ফসলের আবাদ হচ্ছে। কয়েক যুগ আগেও যেখানে চরে আবাদ প্রায় ছিল না, সেখানে এখন চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কাওয়াকোলা চরের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চারবার নদীভাঙনে সব হারালেও চলতি মৌসুমে পাঁচ বিঘা জমিতে ফসল চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। তিনি জানান, এই আবাদই এখন তার ভরসা।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এস এম নাসিম হোসেন বলেন, কৃষি বিভাগের প্রশিক্ষণ, নিয়মিত পরামর্শ ও সরকারি প্রণোদনার কারণে চরাঞ্চলে কৃষিখাতে কল্পনাতীত সাফল্য এসেছে।

শাহজাদপুর উপজেলার রূপবাটি চরের কৃষক আবুল হোসেন জানান, কৃষি বিভাগের সহায়তায় বাদাম, মরিচ ও ধানসহ নানা ফসল চাষ করে তারা এখন অনেকটাই স্বাবলম্বী।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মওলা বলেন, পলিযুক্ত উর্বর জমিতে উৎপাদন প্রত্যাশার চেয়েও বেশি হচ্ছে। কম খরচে বেশি ফলন পাওয়ায় চরাঞ্চলের কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

  • যমুনার বুকে সোনালি স্বপ্ন: সিরাজগঞ্জের চরে বদলে যাচ্ছে কৃষকের জীবন