— বিজ্ঞাপন —

শবেব রাত: মুক্তির রাত ও বিশেষ ফজিলতের রাত

শবেবরাত: মুক্তির রাত ও বিশেষ ফজিলতের রাত
শবেবরাত: মুক্তির রাত ও বিশেষ ফজিলতের রাত
সংবাদটি শেয়ার করুনছবি, শিরোনাম ও সংক্ষিপ্ত বিবরণসহ
Facebook WhatsApp X Telegram

শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে শবেবরাত বা লাইলাতুল বরাত বলা হয়, যা ইসলামী ক্যালেন্ডারে মুক্তির রাত হিসেবে পরিচিত। আরবি ভাষায় ‘লাইলাতুল বরাত’ অর্থ রাতের মুক্তি। হাদিস শরিফে এ রাতকে শাবান মাসের অর্ধ রজনি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

শবেবরাতের বিশেষ নামগুলো হলো: ১. আল লাইলাতুল মুবারাকাহ (বরকতময় রাত) ২. লাইলাতুল বরাত (মুক্তির রাত) ৩. লাইলাতুল রাহমাত (দয়া প্রাপ্তির রাত) ৪. লাইলাতুস সাক (রিজিক বণ্টনের রাত)

হজরত রসুল (সা.) শবেবরাতের রাত জাগ্রত থেকে ইবাদত ও ১৪ রাকাত নামাজ আদায় করতেন। এ রাতে আল্লাহ তা‘আলা দুনিয়ার নিকটবর্তী আকাশে এসে বান্দাদের আহ্বান জানান – যারা ক্ষমা প্রার্থনা করে তাদেরকে ক্ষমা করবেন, যারা রিজিক চাইবে তাদেরকে রিজিক প্রদান করবেন এবং অসুস্থদের সুস্থ করবেন।

— বিজ্ঞাপন —

হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন, শবেবরাতে কারা জন্ম নেবে, কার মৃত্যু হবে, কার রিজিক বিতরণ হবে—all বিষয় আল্লাহর কাছে লিপিবদ্ধ হয়। এ রাতের ইবাদত ও দোয়া মানুষের হিকমতপূর্ণ বিষয় নির্ধারণের সাথে যুক্ত।

শবেবরাতের রাতে ক্ষমা পাওয়া যায়, তবে হিংসুক ও হত্যাকারীদের জন্য আল্লাহর ক্ষমা প্রযোজ্য নয়। তাই রজনির রাত জাগ্রত থেকে ইবাদত বন্দেগি ও দোয়া করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শবেবরাতের ইবাদত ও স্মরণীয় ফজিলত অনুসরণ করে মুসলমানরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা, রিজিক ও কল্যাণ প্রার্থনা করেন, যা আত্মা ও জীবনের জন্য বিশেষ বরকত হিসেবে গণ্য হয়।

পাঠকের মতামত

মন্তব্য ০

আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।

পথিক নেটওয়ার্কআমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম
PothikTV ভিডিও ও লাইভ সম্প্রচার ↗ PothikTV সাহিত্য সাহিত্য, সংস্কৃতি ও লেখকবৃন্দের মঞ্চ ↗ PothikTV Marketplace বই ও শিক্ষণ সামগ্রী ↗ PothikTV Media Center মিডিয়া সংস্থা ও সেবাসমূহ ↗