শোলধারা চকে চলমান ড্রেজারে ঘিওর উপজেলা প্রশাসনের অভিযান

লেখক: সুরেশ চন্দ্র রায়
প্রকাশ: ৭ মাস আগে

বিশেষ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরি ইউনিয়নের শোলধারা চকে চলমান চারটি ড্রেজারে ঘিওর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কিছু পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে বলে বানিয়াজুরি ইউনিয়ন ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

মঙ্গলবার(১৪ অক্টোবর) শোলধারা চকে চলমান চারটি ড্রেজারে ঘিওর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করে ৭শো মিটার ড্রেজারের পাইপ ধ্বংস এবং অবৈধ ড্রেজার স্থাপনে স্থানীয়দের নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাশিতা তুল ইসলামের নেতৃত্ব এ অভিযানে সহায়তা করেন বানিয়াজুরি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো.ইদ্রিস আলী, আনসার বাহিনীর সদস্য ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন পূর্বে শোলধারা চকের ড্রেজারগুলোতে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হওয়ার পর এখানকার অধিকাংশ ড্রজার ব্যবসায়ীরা এ অবৈধ ব্যবসা বন্ধ করে দেন। কিন্তু শোলধারা এলাকার জিন্নাহ মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম দলীয় প্রভাব ও দাপট ব্যবহার করে বাকিদের পুনরায় এ ব্যবসায় উৎসাহিত ও সংগঠিত করে পুনরায় দাপটের সাথে ড্রেজার বাণিজ্য করে যাচ্ছেন। তিনি দাপটের সাথে এলাকায় বলে বেড়ান তার এ ড্রেজার ব্যবসা বন্ধ করার কেউ নেই। শোলধারা চকের ড্রেজারের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে কোন সাংবাদিক শোলধারা এলাকায় গেলে রফিকুল ইসলাম উল্টো ওই সাংবাদিকদের নামে চাঁদাবাজি মামলা দেয়ার ভয় দেখিয়ে হুমকি দেন।
এই ড্রেজার ব্যবসায়ীকে স্থায়ীভাবে প্রতিহত করার একমাত্র সঠিক মাধ্যম হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মামলা দেয়া।

ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাশিতা তুল ইসলাম জানান, চতুর্দিকে পানি বেষ্টিত দুর্গম এলাকা শোলধারা বিলে অভিযানকালে চারটি অবৈধ ড্রেজারের প্রায় ৭০০ মিটার পাইপ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং জনসাধারণকে অবৈধ ড্রেজার স্থাপনে নিরুৎসাহিত করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অবৈধ ড্রেজার রোধকল্পে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।