
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মনে করছেন, আসন সমঝোতা সত্ত্বেও ১১ দলীয় জোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব অক্ষুণ্ণ রয়েছে। তিনি এই মন্তব্য করেছেন বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১০ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের আসন সমঝোতার জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “এই জোট নিয়ে জনগণের মধ্যে একটি বড় আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ তা বোঝার সক্ষমতা রাখে। জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা অত্যন্ত আশাবাদী এবং এটি যেন অটুট থাকে, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি জোট প্রক্রিয়ায় বর্তমানে যে মতভিন্নতা দেখা যাচ্ছে তা খুবই অল্প সময়ের মধ্যে কাটিয়ে উঠা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও জানান, জোটের সদস্যরা সংস্কার ভাবনা, আধিপত্যবিরোধী মনোভাব ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। “একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা দেশে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটাব এবং একে অপরকে সহযোগিতা করে জোটকে শক্তিশালী রাখব,” যোগ করেন নাহিদ ইসলাম।
নির্বাচনী কৌশল বিষয়ে তিনি বলেন, আসন সমঝোতার মানে হলো একে অপরকে পূর্ণ সহযোগিতা করা। জোটের ৩০০ আসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে একক প্রার্থী দেওয়া হবে এবং যাকে জোট মনোনীত করবে, সব শরিক দল তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। তিনি নিশ্চিত করেন, কোনো বিষয়ে মতানৈক্য থাকলেও জোট গঠনের প্রক্রিয়া থেমে থাকবে না, বরং তা অব্যাহত থাকবে।
জোটের এই দৃঢ় মনোভাব এবং সমন্বিত কৌশল রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজর কাড়ছে, যা আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক সমীকরণকে নতুনভাবে আকার দিতে পারে।
