
অন্যান্য প্রার্থীরা যখন মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং রোধ এবং গ্যাস সংকট নিয়ে কেবল প্রতিশ্রুতির বুলি আওড়াচ্ছেন, তখন তানভীর আহমেদ রবিন এসব জনদুর্ভোগ নিরসনে ইতিমধ্যেই মাঠপর্যায়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলো হলো:
জুরাইন মেডিকেল রোডের কাজ সংস্কার:
৫ই আগস্টের পর জুরাইন মেডিকেল রোডের ঠিকাদার প্রায় ৪৫০ মিটার রাস্তার কাজ ফেলে রেখে এবং কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে গিয়েছিল। তানভীর আহমেদ রবিন সেই অসম্পূর্ণ ও পরিত্যক্ত রাস্তার কাজ পুনরায় শুরু করিয়েছেন।
গ্যাস ও মাদক নিয়ন্ত্রণ:
গ্যাসের তীব্র সংকট সমাধানে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সর্বোচ্চ মহল পর্যন্ত যোগাযোগ করেছেন। এছাড়া প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের সহায়তায় বহু মাদক কারবারিকে আইনের আওতায় এনেছেন।
কিশোর গ্যাং দমন:
প্রতিটি পঞ্চায়েত কমিটির সাথে সমন্বয়ে এলাকাভিত্তিক ‘কিশোর গ্যাং’ কালচার দমনে তিনি কঠোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
রাস্তা ও অবকাঠামো:
জুরাইন নতুন রাস্তার কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে চিঠি দেওয়াসহ বিভিন্নভাবে তাগিদ দিয়ে সেই রাস্তার কাজ পুনরায় চালু করিয়েছেন।
শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন:
এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়নে তিনি প্রতিটি স্কুলে শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন এবং তাদের সুযোগ–সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।
যানজট ও ফুটপাত দখলমুক্তকরণ:
যানজট নিরসনে তিনি বারবার ফুটপাত দখলমুক্ত করেছেন এবং তার এই কার্যক্রম এখনও চলমান।
তাৎক্ষণিক পানি সরবরাহ:
জুরাইন চেয়ারম্যান বাড়ি কমিশনার রোডে পানির তীব্র সংকট দেখা দিলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ওয়াসার গাড়ির মাধ্যমে এলাকাবাসীর জন্য পানির ব্যবস্থা করেন।
সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা:
এলাকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা বাড়াতে তিনি স্থানীয় মুরুব্বি ও পঞ্চায়েত কমিটিগুলোকে আরও শক্তিশালী করে তুলছেন।
অন্যান্য অনেক প্রার্থী যখন কেবল প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ছড়াচ্ছেন, তখন তানভীর আহমেদ রবিন কোনো অসার প্রতিশ্রুতি না দিয়ে তার সীমিত সুযোগ ও সামর্থ্যের মধ্যেই সর্বোচ্চটা দিয়ে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
এলাকার সন্তান হিসেবে তিনি কথার বুলি নয়, দায়িত্ববোধ থেকে বিরামহীনভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা নিশ্চিত করছেন।
