
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ২৫ নভেম্বর শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
পূর্বের বিধিমালায় একাধিক সীমাবদ্ধতা থাকায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল।
নতুন বিধিমালায় ম্যাজিস্ট্রেটদের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশেরও (সার্জেন্ট পদমর্যাদার ওপর) ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে।
যদি কেউ ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কোনো পুলিশ কর্মকর্তার সম্মুখে বিধি ৬ এর উপ-বিধি (২), (৩) বা (৪) লঙ্ঘন করেন, তবে ওই কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই জরিমানা আরোপ করতে পারবেন।
নতুন বিধিমালায় হর্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্পষ্ট শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো পাবলিক প্লেস বা জনপরিসরে লাউডস্পিকার, মাইক, অ্যাম্প্লিফায়ার ও সুরযন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বনভোজন নিষিদ্ধ।
যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে শব্দসীমা ৯০ ডেসিবল এবং অনুষ্ঠান রাত ৯টার মধ্যে শেষ করতে হবে।
নীরব এলাকায় পটকা, আতশবাজি, হর্ন বা অনুরূপ শব্দসৃষ্টিকারী যেকোনো পণ্য ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
রাত্রিকালে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে হবে।
শিল্পকারখানা ও জেনারেটরের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধান সংযোজন করা হয়েছে।
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
