
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা : জামালগঞ্জ সরকারী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রী হোস্টেলে, সেনাবাহিনী থাকা কালীন সময়ে হোস্টেল পরিস্কার করার সময়, যৌন কাজে ব্যবহৃত ১ বালতি কনডম পায়। যা জামালগঞ্জ উপজেলার কলেজে ছাত্রী হোস্টেলে অবস্থানরত ছাত্রীদের জন্য গভীর কলঙ্কের ও জামালগঞ্জ বাসীর জন্য লজ্জার।
সেনাবাহিনী সদস্য যখন বিষয়টা কলেজ প্রশাসনকে অবহিত করেন। ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল তখন এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলার পরেও পরবতীতে উনি কলেজ হোস্টেলর দায়িত্বে থাকা অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান, অধ্যক্ষ শামিমা আক্তার সিমু সহ কাউকেউ দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে জবাবদিহিতার আওতায় আনেন নি। এর পিছনে কার হাত আছে, উনি কি গোগন করতে চাচ্ছেন। কাকে আড়াল করতে চাচ্ছেন। কার অপকর্ম লুকাতে চাচ্ছেন।
সাধারণ ছাত্ররা ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল এর কাছে উপস্থাপন করলে উনি বিষয়টা অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর অফিসারের সাথে ফোন ধরিয়ে দিলে। উনি বলেন সেনাবাহিনীর সেই অফিসার মৌখিক ভাবে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ দেন নি বলে উনি ব্যবস্থা নেন নি।
