
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার মলাইশ ব্রীজ থেকে শাহজাদাপুর সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ মাঝপথে ফেলে রেখে ঠিকাদার লাপাত্তা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ থাকায় বর্তমানে সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে, যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন শাহজাদাপুর গ্রামের সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মলাইশ ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা থেকে শাহজাদাপুর পর্যন্ত বিস্তৃত সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। রাস্তার নির্মাণ কাজ প্রথম দিকে কাজ চলমান অবস্থা থাকায় তখন গাড়ি চলাচলের তেমন অসুবিধা হয়নি কিন্তু বর্তমানের ঠিকাদারা কাজ মাঝ পথে ফেলে রেখে চলে যাওয়াই রাস্তার যে অবস্থা পরিস্থিতির পেক্ষাপটে স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজ শুরুর সময় যে নিম্নমানের ইট, বালু ও ইটের খোয়া ব্যবহার করা হয়েছিল, তা এখন অস্তিত্বহীন বললেই চলে। সড়কটি দিয়ে নিয়মিত যানবাহন চলাচল করায় খোয়া উঠে গিয়ে বর্তমানে শুধু মাটি আর ইটের গুঁড়ো অবশিষ্ট আছে।
জনদুর্ভোগের চরম সীমা:
শুকনো মৌসুমে এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চললে ধুলোবালিতে অন্ধকার হয়ে যায় চারপাশ, যা পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে। অন্যদিকে, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার দুপাশ ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে, ফলে যানবাহন চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
শাহজাদাপুর গ্রামের ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, “ঠিকাদার কাজ শুরু করে মাঝপথে ফেলে রেখে এখন নিখোঁজ। আমরা বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কাউকে পাচ্ছি না। সরকারের কোটি টাকা খরচ হলেও আমাদের দুর্ভোগ কমেনি, বরং বেড়েছে।”
সড়কটি দ্রুত সংস্কার এবং গাফিলতির দায়ে সংশ্লিষ্ট ও সঠিক তদন্ত মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং দ্রুত রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ করে এলাকাবাসী দূরভৌগ, কষ্ট দূর করার জন্য শাহজাদাপুর মানুষের বিনীতভাবে আকুল আবেদন।
