
নিহতরা হলেন—হাবিবুর রহমান, তার স্ত্রী পপি সুলতানা, ছেলে পারভেজ এবং তিন বছরের কন্যা সাদিয়া আক্তার।
পরিবারের অভিযোগ, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত। নিহত পপি সুলতানার বাবা আব্দুর রশীদ ও মা সাবিনা বিবি জানান, হাবিবুর রহমানের বোন ও ভগ্নিপতিদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আড়াই বিঘা জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। তাদের দাবি, জমি দেওয়ার পরও আরও সম্পত্তির জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন বলেন, তার ছেলে পরিবার নিয়ে বাড়িতেই বসবাস করতেন এবং মেয়েদের সঙ্গে জমি নিয়ে কিছু বিরোধ ছিল। তবে এমন ভয়াবহ পরিণতি কেন ঘটলো, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পরিবারটির ভেতরে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ছিল। তবে রাতের অন্ধকারে কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ঘটনার বিষয়ে নওগাঁর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জয়ব্রত পাল জানান, পুলিশ ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে, এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী। এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
