ওয়াজ মাহফিলের বক্তব্য ঘিরে জীবননাশের আশঙ্কা বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁনের

লেখক: Arisha Eme
প্রকাশ: ৪ সপ্তাহ আগে
ওয়াজ মাহফিলের বক্তব্য ঘিরে জীবননাশের আশঙ্কা বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁনের

জামায়াত নেতা ও সংসদ সদস্য আমির হামজা–র একটি ওয়াজ মাহফিলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।

রোববার (২৪ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, ওয়াজ মাহফিলে ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করে তাকে সাধারণ মানুষের কাছে ‘হত্যাযোগ্য’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তার দাবি, এ ধরনের বক্তব্য উগ্রবাদী সমর্থকদের উসকে দিতে পারে এবং এর ফলে তিনি যেকোনো সময় সংঘবদ্ধ হামলার শিকার হতে পারেন।

নিজের জীবননাশের আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে তার কোনো ধরনের শারীরিক ক্ষতি হলে এর সম্পূর্ণ দায় আমির হামজাকেই নিতে হবে।

স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, অতীতে বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে আমির হামজা নিজেকে ও তার পরিবারকে আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। পাশাপাশি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ না করলে সে যেকোনো দলের হোক না কেন ‘জাহান্নামে যাবে’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, টেলিভিশনের টকশোতে আমির হামজার অতীত রাজনৈতিক অবস্থান ও বক্তব্য নিয়ে সমালোচনা করায় সংসদ সদস্য তার ওপর ব্যক্তিগতভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মঞ্চে দেওয়া বক্তব্য রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করা সম্ভব। তবে ওয়াজ মাহফিলের মতো ধর্মীয় প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগ উসকে দিয়ে কাউকে লক্ষ্যবস্তু বানানো তার জীবনের জন্য সরাসরি হুমকিতে পরিণত হয়েছে।

উল্লেখ্য, মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন এবং পরে গণঅধিকার পরিষদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–তে যোগ দেন।

  • ওয়াজ মাহফিলের বক্তব্য ঘিরে জীবননাশের আশঙ্কা বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁনের