— বিজ্ঞাপন —

ভারতে ২৮ বছর পর সুরাহা হলো হত্যা রহস্যের, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

বোনের সাবেক স্বামীকে হত্যার অভিযোগে দীর্ঘ ২৮ বছর পর প্রধান অভিযুক্ত সন্দীপ কৃষ্ণনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের ডোম্বিভালি রেলওয়ে পুলিশ।
Arrest-696×342
সংবাদটি শেয়ার করুনছবি, শিরোনাম ও সংক্ষিপ্ত বিবরণসহ
Facebook WhatsApp X Telegram

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ন

ভারতে দীর্ঘ প্রায় তিন দশক বা ২৮ বছর পর একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। মহারাষ্ট্রের ডোম্বিভালি রেলওয়ে পুলিশ বিহার থেকে এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সন্দীপ কৃষ্ণনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বোনকে তালাক দেওয়ার কারণে পূর্ব শত্রুতা ও আক্রোশ থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। অভিযুক্ত তার দুই সহযোগীকে নিয়ে পরিকল্পনা করে ভগ্নিপতিকে হত্যা করে এবং ঘটনাটিকে ট্রেন দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার জন্য লাশ রেললাইনে ফেলে রেখেছিল।

— বিজ্ঞাপন —

ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৮ সালের ১৫ ডিসেম্বর। ওই দিন ডোম্বিভালি ও কোপার রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যবর্তী রেললাইন থেকে এক ব্যক্তির বিকৃত লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রথমদিকে রেলওয়ে পুলিশ এটিকে সাধারণ ট্রেন দুর্ঘটনা বলে ধারণা করেছিল।

পরবর্তীতে তদন্তের সময় নিহত ব্যক্তিকে শৈলেশ মোরে হিসেবে শনাক্ত করা হয়। লাশের আঘাত ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশের সন্দেহ গভীর হলে নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করে সূক্ষ্ম তদন্ত শুরু করা হয়।

পুলিশ জানায়, শৈলেশ মোরেসের সঙ্গে তার স্ত্রীর বিরোধের জের ধরে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তার সাবেক শ্যালক সন্দীপ কৃষ্ণন প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করে। সন্দীপ তার দুই সহযোগী বিনোদ যাদব ও বিনেশ কৃষ্ণনকে নিয়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে।

অভিযুক্তরা একটি পার্টির অজুহাতে শৈলেশকে আমন্ত্রণ জানায় এবং পরে পাথর দিয়ে নির্মমভাবে থেঁতলে তাকে হত্যা করে। এরপর পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে লাশটি রেললাইনের ওপর ফেলে রেখে আসে যাতে এটি দুর্ঘটনা বলে মনে হয়।

হত্যাকাণ্ডের পরপরই সব অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়, যার ফলে মামলাটি বহু বছর ধরে ফাইলবন্দি অবস্থায় পড়ে ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে অভিযুক্তরা অধরা থাকায় তদন্ত থমকে যায়।

ডোম্বিভালি জিআরপির সিনিয়র পুলিশ ইন্সপেক্টর বাবা সাহেব থোরাত জানান, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে পুরনো মামলার নথি নতুন করে খোলা হয়। প্রযুক্তিগত তথ্য ও গোপন সূত্রের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান চিহ্নিত করা হয়।

অবশেষে দীর্ঘ সময় পর বিহারের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মূল অভিযুক্ত সন্দীপ কৃষ্ণনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে কল্যাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে পুলিশ হেফাজতে পাঠায়।

পুলিশ ইন্সপেক্টর বাবা সাহেব থোরাত আরও জানান, এই হত্যা মামলার অপর দুই পলাতক আসামি বিনোদ যাদব ও বিনেশ কৃষ্ণনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং শীঘ্রই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সূত্র: urdu news

পাঠকের মতামত

মন্তব্য ০

আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।

— বিজ্ঞাপন —
পথিক নেটওয়ার্কআমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম
PothikTV ভিডিও ও লাইভ সম্প্রচার ↗ PothikTV সাহিত্য সাহিত্য, সংস্কৃতি ও লেখকবৃন্দের মঞ্চ ↗ PothikTV Marketplace বই ও শিক্ষণ সামগ্রী ↗ PothikTV Media Center মিডিয়া সংস্থা ও সেবাসমূহ ↗