আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ন
পাকিস্তানের করাচিতে বাজারে বেশ কিছু ওষুধের নকল ব্যাচ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। এর মধ্যে মার্টিন ডাউ মার্কার নামের একটি প্রতিষ্ঠান ‘লেগজোব্রন’ ওষুধের বিতর্কিত ব্যাচগুলোর উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক থাকার কথা সরাসরি অস্বীকার করেছে।
একইভাবে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোও বাজারে থাকা ওই নির্দিষ্ট ব্যাচগুলোকে তাদের উৎপাদিত ওষুধ হিসেবে স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। কোম্পানিগুলোর দাবি, এগুলো তাদের আসল পণ্য নয়, বরং তাদের নামে প্রস্তুত করা নকল ওষুধ।
নকল ওষুধের এমন ভীতিকর পরিস্থিতিতে দ্য ড্রাগ অ্যাক্ট ১৯৭৬-এর অধীনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ওষুধ পরীক্ষাাগার বা ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরি তাদের নিজস্ব প্রতিবেদন সিন্ধু কোয়ালিটি কন্ট্রোল বোর্ডের সচিবের কাছে জমা দিয়েছে।
একই সাথে করাচি সাউথের ড্রাগ ইন্সপেক্টরের কাছেও এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে, যাতে করে নকল ওষুধ প্রস্তুত ও সরবরাহের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।
নকল ওষুধ বাজারে ছড়িয়ে পড়া এবং এর সরবরাহ ব্যবস্থার পেছনের মূল উৎস কী, তা খুঁজে বের করতে এখন বিস্তৃত তদন্ত অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। সাধারণ রোগীদের স্বাস্থ্য ও জীবন এতে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহল থেকে জানানো হয়েছে যে, নকল ওষুধের বিস্তার রোধ করতে বাজারগুলোতে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। বাজার থেকে এসব নকল ওষুধের বিতরণ ও উপস্থিতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো দাবি জানানো হচ্ছে।
সূত্র: ARY News Urdu

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।