
লেখক: মোঃ শরিফ মিয়া
স্টাফ রিপোর্ট,শুরুটা ছোট্ট এক স্বপ্ন নিয়ে,
তখন ছিল ২০২২ সালের শুরু। “বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটি”—এই নামটা তখনো অনেকের কাছে অপরিচিত। আর আমি? আমি ছিলাম কেবল একজন নতুন স্বপ্নবাজ, যিনি সক্রিয় স্বেচ্ছাসেবী ৩ হয়ে ট্রেনিং নিয়ে এই পথচলা শুরু করেছিলাম।
সেই ছোট্ট পদক্ষেপ থেকেই আমার সংগঠনভিত্তিক যাত্রা শুরু। ধীরে ধীরে দায়িত্বের পরিধি বাড়তে থাকে—প্রথমে জেলা সমন্বয়ক হিসেবে কাজ শুরু করি। তারপর খুলনা বিভাগ থেকে আসে নতুন এক ডাক—আমি হয়ে উঠি একজন খুলনা বিভাগীয় সহ-সমন্বয়ক। এখানেই শেষ নয়, সময়ের প্রয়োজনে আমি দায়িত্ব নেই খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়ক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে। সে দায়িত্বও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করার পর আমি নিযুক্ত হই পুর্ণাঙ্গ খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়ক হিসেবে, যেখানে আমি প্রায় দুই মাস কাজ করেছি।
আমার এই ধারাবাহিক সক্রিয়তা ও আন্তরিকতা কেন্দ্রের নজরে আসে। তারপরই আসে আমার জন্য এক বড় প্রাপ্তি—প্রধান তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। আমি সেই দায়িত্বের পুরো মেয়াদ সফলভাবে সম্পন্ন করি।
এরপর পরবর্তী মেয়াদে আমি কাজ করি প্রধান সহ-সমন্বয়ক হিসেবে। সর্বদা চেষ্টা করেছি নিজ পদের যথাযথ সম্মান বজায় রেখে সংগঠনের সর্বোচ্চটা দেওয়ার জন্য, যেন কোনো দায়িত্বে বিন্দুমাত্র গাফিলতি না থাকে।
আর আজ—
আমি গর্বের সাথে বলছি, আমি বর্তমানে নিযুক্ত হয়েছি বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে—সংগঠনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বশীল পদে।
এই পথচলা ছিল কেবল আমার একার নয়।
এই যাত্রা, এই অর্জন সম্ভব হয়েছে—আল্লাহর অশেষ রহমত, সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালকের বিশ্বাস এবং আমার সকল সহকর্মী ও ভাইদের ভালোবাসার কারণে।
আমি চিরকৃতজ্ঞ সবার প্রতি।
আমি কৃতজ্ঞ মহান আল্লাহর প্রতি, যিনি আমাকে এই সম্মান ও সুযোগ দিয়েছেন।
এই পদে থেকে আমি চেষ্টা করবো আগামীতেও সততা, আন্তরিকতা আর নিবেদিত প্রয়াস দিয়ে কাজ করে যেতে, যেন “বন্ধুমহল” হয়ে উঠে সমাজের আশার এক আলোকবর্তিকা।
জিয়াউল হাসান আমিন
প্রধান সমন্বয়ক,
বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটি।
