আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ন
ইসরায়েলের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রায় ছয় দশকের গোপনীয়তা এবং স্ট্র্যাটেজিক অস্পষ্টতার নীতি এখন নতুন করে চাপের মুখে পড়েছে। ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত এবং সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ডিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্র ও ইসরায়েলের পারমাণবিক সামর্থ্য নিয়ে বৈশ্বিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সূচনালগ্নে অর্থাৎ গত শতকের পঞ্চাশের দশকে ইসরায়েল তাদের ডিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্রটিকে একটি সাধারণ ‘বস্ত্র কারখানা’ বা টেক্সটাইল প্ল্যান্ট হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিল। পরবর্তীতে তা পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও ইসরায়েল কখনই আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের মালিকানার কথা স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটিই করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক নীতিও দীর্ঘদিন ধরে এই অস্পষ্টতাকে সমর্থন জানিয়ে এসেছে। ঐতিহাসিক বিভিন্ন চুক্তি ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে ওয়াশিংটন এবং তেল আবিব এই বিষয়ে কোনো প্রকাশ্যে আলোচনা বা আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের দাবি উত্থাপন থেকে বিরত থাকে। তবে সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে এই গোপনীয়তার নীতি বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক অপ্রসারণ চুক্তি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ভারসাম্যের স্বার্থে এই গোপন রহস্য উন্মোচনের দাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাদের পারমাণবিক নীতিতে কোনো পরিবর্তনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
সূত্র: জাগো নিউজ

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।