অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর এবং গরিব-মেহনতি মানুষের বন্ধু হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে নির্বাচনী মাঠে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: ইব্রাহিম খান, আসন্ন ২০ নম্বর কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে এলাকাবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেছেন মো. ইব্রাহিম খান।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রকাশিত তাঁর পোস্টারে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি। পোস্টারে তাঁকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, গরিব-মেহনতি মানুষের বন্ধু হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর এই প্রচারণায় এলাকার সাধারণ মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসা অর্জনের প্রত্যাশা ফুটে উঠেছে। তিনি মনে করেন, জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা একজন জনপ্রতিনিধির পথচলার অন্যতম অনুপ্রেরণা।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা শোনা, এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা। সেই প্রত্যাশাকে সামনে রেখেই মেম্বার পদে প্রার্থী হিসেবে এলাকাবাসীর কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন মো. ইব্রাহিম খান।
তাঁর নির্বাচনী পোস্টারে বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং শ্রমজীবী ও অসহায় মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়। এসব বিষয়কে সামনে রেখে তিনি ওয়ার্ডবাসীর সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়াতে চান বলে তাঁর প্রচারণায় তুলে ধরা হয়েছে।
এলাকার মানুষের প্রত্যাশা, আসন্ন নির্বাচনে যাঁরাই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন, তাঁরা যেন জনগণের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হন, সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করেন।
মো. ইব্রাহিম খান তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার মাধ্যমে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন। জনগণের ভালোবাসাকে পুঁজি করে তিনি নির্বাচনী পথচলায় এগিয়ে যেতে চান।
এখন দেখার বিষয়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা তাঁদের প্রত্যাশা ও মূল্যবান ভোটের মাধ্যমে কাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেন।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।