
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে প্রধান অতিথি করে আয়োজিত একটি কর্মীসভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সমাবেশকে “অবৈধ ও ত্যাগী নেতাদের উপেক্ষার ফল” দাবি করে চুন্টা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এর বিরোধিতা করছে। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন—এই সমাবেশ প্রতিহত করা হবে।
শুক্রবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় চুন্টা বাজারে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে এসব কথা বলেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
বক্তারা বলেন, “ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা আমাদের কেন্দ্রীয় নেত্রী। আমরা তাকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সুবিধাবাদী একটি মহল যারা আওয়ামী লীগের দোসর ছিল, তাদের আয়োজনে তার অংশগ্রহণ লজ্জাজনক।”
তারা আরও বলেন, “দলীয় পদধারী ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে চুন্টার মাটিতে কোনো কর্মীসভা হতে দেওয়া হবে না। রুমিন ফারহানা যদি জেলা ও উপজেলা বিএনপিকে অবগত করে আসতেন, আমরা তাকে শ্রদ্ধার সাথে বরণ করতাম।”
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, যারা বর্তমানে রুমিন ফারহানাকে চুন্টায় আনার চেষ্টা করছে, তারা অতীতে স্বৈরাচারী সরকারের সঙ্গে আঁতাত করেছে এবং দলের প্রকৃত নেতাদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চুন্টা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আকতার মিয়া এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সেলিম। বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য লিয়াকত আলী, উপজেলা ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. ইয়াসিন, জেলা কৃষকদলের সদস্য আকতার মিয়া, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, ছাত্রদল সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ছালেকসহ অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতারা।
বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আগামীকাল (২৮ জুন) চুন্টা সেন বাড়ি ও বাজার এলাকায় দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি ও আলোচনা সভার ডাক দিয়েছেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় স্থানীয় প্রশাসনের নজর রয়েছে এদিকে।
