
জয়পুরহাট–২ আসনে দলীয় মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেছেন।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে জয়পুরহাট–বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও রাস্তায় শুয়ে পড়ে প্রায় ১ ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
পরে কালাই বাসস্ট্যান্ডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আরও এক দফা বিক্ষোভ হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফার অনুসারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মাঠে-ঘাটে সংগ্রাম করলেও ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি।
তাদের দাবি—তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে ‘অতিথি পাখি’ ও অরাজনৈতিক ব্যক্তি সাবেক ডিসি আব্দুল বারীকে মনোনয়ন দিয়ে দল ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এমন মনোনয়ন তারা মানবেন না বলে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।
তারা আরও বলেন, ঘোষিত প্রার্থী আব্দুল বারীকে এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ চেনেন না। তিনি মাঠের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এবং স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্যতা নেই।
তাই মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তারা।
তৃণমূলের মতে, সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা ছাড়া আব্বাস আলী, ওবায়দুর রহমান চন্দন ও লায়ন সিরাজুল ইসলামের মতো আরও কয়েকজন সক্রিয় নেতা আছেন, যাদের মধ্যে যেকোনো একজনকে প্রার্থী করা যেতে পারে।
জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এফতাদুল বলেন, “আমরা ১৭ বছর ধরে আন্দোলন করেছি, জেল-মামলা মাথায় নিয়ে দিন কাটিয়েছি। কিন্তু যিনি দলের কেউ নন, তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলো কেন?”
তিনি আরও বলেন, “তার সমাবেশে ৫০–৬০ জনের বেশি মানুষ থাকে না। স্থানীয় মানুষও তাকে চেনে না।”
তৃণমূল কর্মী রফিকুল ইসলাম বলেন, “ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে একজন আমলাকে কেন প্রার্থী করা হলো? এই সিদ্ধান্ত এলাকায় ব্যাপক হতাশা তৈরি করেছে।”
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য জানানো হয়নি।
