নবীনগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে আরও একজনের মৃত্যু

লেখক:
প্রকাশ: ৫ মাস আগে
নবীনগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে আরও একজনের মৃত্যু

পথিক নিউজ ডেস্ক │ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত আরও একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মোট দুজনের মৃত্যু হলো। ঘটনায় আহত এক শিক্ষকসহ দুইজন এখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহত ইয়াছিন মিয়া (২০) উপজেলার আলমনগর গ্রামের বাসিন্দা। আজ রোববার (৩ নভেম্বর) বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে সকালে একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বড়িকান্দি ইউনিয়নের নুরজাহানপুর গ্রামের শিপন মিয়া (৩০)।

চিকিৎসাধীন দুজন হলেন থোল্লাকান্দি গ্রামের এমরান হোসেন (৩৮) ও চরলাপাং গ্রামের নুর আলম (১৮)। এমরান শ্যামগ্রামের মোহিনী কিশোর স্কুল ও কলেজের শিক্ষক, আর নুর আলম স্থানীয় এক হোটেলের কর্মচারী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক বলেন,

“পূর্বশত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে এখন পর্যন্ত দুজনের মৃত্যু হয়েছে। সকালে শিপন ও বিকেলে ইয়াছিন মারা গেছেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়িকান্দি ইউনিয়নের নুরজাহানপুর গ্রামের মোন্নাফ মিয়া ও তাঁর ছেলে শিপনের সঙ্গে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত ও আরাফাত মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। শনিবার রাতে বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার বাজারের একটি হোটেলে শিপন মিয়া আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় আরাফাতের নেতৃত্বে সশস্ত্র একটি দল সেখানে গুলি চালায়। এতে শিপনসহ হোটেলের দুই কর্মচারী ইয়াছিন ও নুর আলম গুলিবিদ্ধ হন।

পরে খবর পেয়ে শিপনের বাবা মোন্নাফ মিয়ার নেতৃত্বে একদল লোক পাল্টা হামলা চালায় থোল্লাকান্দির এমরান হোসেনের কার্যালয়ে, যেখানে এমরান গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • একজন নিহত
  • গুলিবিদ্ধ
  • নবীনগর
  • পথিকনিউজ
  • ব্রাহ্মণবাড়িযা সংবাদ