বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্ষীয়ান রাজনীতিক ভিপি মান্নান আর নেই। এলাকায় শোকের ছায়া

লেখক: ফয়সল আহমেদ খান
প্রকাশ: ১ বছর আগে

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি,তিনি কখনো মন্ত্রী, এমপি বা কোনো জনপ্রতিনিধি ছিলেন না।ছিলেন বাঞ্ছারামপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রথম নির্বাচিত ভিপি(১৯৮৮)।সাদা একটি লুঙ্গি পড়ে পুরনো মোটরবাইক নিয়ে গোটা উপজেলায় খোজ খবর নিতেন বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের।তিনি রাজধানী কেন্দ্রীক রাজনীতি করতেন না,বরং ঢাকার বিএনপির নেতারা ছুটে আসতেই হতো বাঞ্ছারামপুরে,ভিপি মান্নানের দোয়া নিতে।

সাদা মনের সেই জনপ্রিয় নেতা গতকাল দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিটে দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করে হেরে গেলেন।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং এলাকার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ভিপি আব্দুল মান্নান আর নেই। আজ রাতে (মঙ্গলবার,১০ জুন) তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা ও কেন্দ্রীয় রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত ছিলেন। বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির সংগঠনিক কাঠামো গঠনে এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার ছিলো অসামান্য অবদান। রাজনৈতিক জীবন ছাড়াও একজন সজ্জন, সৎ ও নীতিবান মানুষ হিসেবে সকল দলের, সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন শ্রদ্ধার পাত্র।

তার এই অকালপ্রয়াণে বাঞ্ছারামপুরে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছেন।

বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণও মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
আজ বাদ জোহর পৌর এলাকার দশদোনা উচ্চ বিদ্যালয়ে মরহুম ভিপি মান্নানের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।জানাযায় হাজারো নেতাকর্মী ও গ্রামবাসী অংশ নেয়।এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কচি মোল্লা, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এম এ খালেক পিএসসি,
বাঞ্ছারামপুর কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপি উপদেষ্টা মেজর (অব.)সাইদ,পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচীব বাবুল মিয়া,
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এডভোকেট রফিক শিকদার, বিএনপি নেতা ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ড.সায়েদুজ্জামান কামাল,ডা. রফিকুল ইসলাম খোকন,ইন্জিনিয়ার দবির উদ্দিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এডভোকেট জিয়াউদ্দীন জিয়া,পৌর বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপিরসদস্য সদস্য এমদাদুল হকসাইদ,
পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য ছালে মুছা,জেলা বিএনপির সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মহসিন,
উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ম.ম ইলিয়াস,
বিএনপি নেতা ভিপি মজিব,ভিপি সাজ্জাদ,এডভোকেট জামাল,গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি,ভিপি নাজমুল হুদা প্রমূখ।
উল্লেখ্য, মৃত্যুকালে মরহুম এই নেতা ২ মেয়ে ও এক ছেলে রেখে যান।যারা প্রত্যেকেই প্রবাসে অবস্থান করছেন।