— বিজ্ঞাপন —

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মলাইশ–শাহজাদাপুর সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ

Share this storyWith image, headline and summary
Facebook WhatsApp X Telegram

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায় ‘কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় শাহজাদাপুর সড়কের নির্মাণকাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, মলাইশ থেকে শাহজাদাপুর পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইটের খোয়া, ভিটের সাদা বালি এবং কম দামের সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়—যেখানে ৪ ইঞ্চি আরসিসি ঢালাই করার কথা, সেখানে ৩ ইঞ্চি আরসিসি ঢালাই করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

— বিজ্ঞাপন —

প্রকল্পটি ০৪-০৫-২০২১ তারিখে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়। এর মেয়াদকাল ১ জুলাই ২০২১ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত নির্ধারণ ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—কাজ শুরুর পর নামেমাত্র মাটি ভরাট করে সড়কের কাজ দীর্ঘদিন ফেলে রাখা হয়। পরে স্থানীয় বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার হস্তক্ষেপ, প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির সুপারিশ, রেট সিডিউল পরিবর্তন এবং বিভিন্ন টেকনিক্যাল সমন্বয়ের ফলে প্রকল্পের সংশোধিত ডিপিপি প্রস্তুত করা হয়।

সংশোধিত ডিপিপিতে প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫৩৯৯৯.৭০ লক্ষ টাকা (দুই হাজার পাঁচশত উনচল্লিশ কোটি নিরানব্বই লক্ষ সত্তর হাজার টাকা)। মেয়াদও বাড়িয়ে ১ জুলাই ২০২১ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে কাজ পুনরায় চলমান।

এলাকা ঘুরে দেখা যায়—রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের ইটের খোয়া, ভিটের সাদা বালি এবং কম দামের সিমেন্ট ব্যবহারের অভিযোগ মিলেছে। এমনকি মিক্সার মেশিনেও একই নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

রাস্তার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে যেখানে ৪ ইঞ্চি আরসিসি ঢালাইয়ের কথা বলা হয়েছে, সেখানে ৩ ইঞ্চি ঢালাই দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (অ: দা:) প্রত্যুল ভৌমিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে সংশ্লিষ্ট উপসহকারী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

প্রকল্পের পিডি সিরাজুল ইসলামকে ভিডিও ও নমুনা দেখিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন—“এমন ইটের খোয়া ও ভিটের সাদা বালি ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। আপনারা সংবাদ প্রকাশ করুন, আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখব।”

স্থানীয় সাধারণ মানুষের অভিযোগ—আজ পর্যন্ত প্রকল্পের উচ্চ পর্যায়ের কেউ এসে কাজ তদারকি করেননি। এতে তাদের মনে প্রশ্ন জেগেছে: প্রকৃতপক্ষে কি তদারকি করা হচ্ছে, নাকি অন্য কোনো কারণে নজরদারি নেই?

পাঠকের মতামত

মন্তব্য ০

আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।

পথিক নেটওয়ার্কআমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম
PothikTV ভিডিও ও লাইভ সম্প্রচার ↗ PothikTV সাহিত্য সাহিত্য, সংস্কৃতি ও লেখকবৃন্দের মঞ্চ ↗ PothikTV Marketplace বই ও শিক্ষণ সামগ্রী ↗ PothikTV Media Center মিডিয়া সংস্থা ও সেবাসমূহ ↗