মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার প্রশ্নে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্যই জুলাই, আমরা সেই অন্ধকার সময়ে আর ফিরতে চাই না।” বৃহস্পতিবার ভোরে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র আমির এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের ১৭ বছরে বর্তমান সরকারি দল এবং তাদের দল—উভয় পক্ষই স্বাধীন মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে দমন-পীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি পরিহার করার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি সুস্থ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রথম শর্ত। ভিন্নমতকে দমন নয়, বরং স্বাগত জানানোর মধ্য দিয়েই নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তার বক্তব্যে রাজনৈতিক সহনশীলতা ও মতের বহুত্বকে গণতান্ত্রিক চর্চার অপরিহার্য উপাদান হিসেবে তুলে ধরা হয়।
এর আগে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বাংলাদেশের গণমাধ্যমের জন্য দিনটিকে ‘কালো দিন’ হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর এমডি ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ এবং একাত্তর টেলিভিশন-এর চার সাংবাদিককে ‘জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত’ করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং কাউকে কাউকে অফিস প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার ঝড় উঠেছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের নিরাপত্তা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা—এই তিনটি বিষয় এখন নতুন করে জনপরিসরে গুরুত্ব পাচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।