
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের ‘মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গি’ সেন্সর করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে বাধ্য করতে উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাবেক এক কমিশনারসহ পাঁচ ব্যক্তির ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
বিবৃতিতে রুবিও বলেন, মার্কিন প্ল্যাটফর্মগুলোকে সেন্সর করতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে মতামত দমন করার চেষ্টায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পররাষ্ট্র দপ্তর সিদ্ধান্তমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। তার ভাষায়, এসব ব্যক্তির যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ, উপস্থিতি বা কার্যক্রম দেশের জন্য গুরুতর প্রতিকূল পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
কূটনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট সারা বি. রজার্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট (ডিএসএ)–এর সঙ্গে জড়িত সাবেক ইউরোপীয় কমিশনার থিয়েরি ব্রেটন। তার বিরুদ্ধে এক্সের মালিক ইলন মাস্ককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া তালিকায় আছেন সেন্টার ফর কাউন্টারিং ডিজিটাল হেটের সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা ইমরান আহমেদ। তার বিরুদ্ধে বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করে মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে সরকারকে ‘অস্ত্র হিসেবে’ ব্যবহারের অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে গ্লোবাল ডিসইনফরমেশন ইনডেক্সের প্রধান ক্লেয়ার মেলফোর্ডের বিরুদ্ধেও মার্কিন করদাতাদের অর্থ ব্যবহার করে আমেরিকান বক্তৃতা ও সংবাদমাধ্যমে সেন্সরশিপ এবং কালো তালিকাভুক্তি জোরদার করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আরও রয়েছেন জার্মান এনজিও হেটএইডের দুই নির্বাহী আনা-লেনা ভন হোডেনবার্গ ও জোসেফাইন ব্যালন। রুবিও আরও জানান, কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপসারণের প্রক্রিয়াও শুরু হতে পারে, যার ফলে তাদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ বা চাপ মেনে নেবে না।
সূত্র: সিএনএন
