
দীর্ঘ ১৭ বছর পর সব জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানটি রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে প্রবেশ করলে সেখানে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ উপস্থিত শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। ভিআইপি লাউঞ্জেই প্রথম ফুলের মালা পরিয়ে তাকে বরণ করেন তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু।
বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে সরাসরি রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় রওনা হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। সেখানে সমবেত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। গণসংবর্ধনা শেষে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তার অসুস্থ মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে সারা দেশের বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বুধবার থেকেই রাজধানীর কুড়িল–বিশ্বরোড সংলগ্ন ৩০০ ফিট এলাকায় দলে দলে জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখতে এবং এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তারা সেখানে সমবেত হন। পুরো এলাকায় মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে একটিই স্লোগান—‘লিডার আসছে’।
তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দর, ৩০০ ফিট এলাকা এবং রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির মধ্যেই তার আগমন ও চলাচল সম্পন্ন হচ্ছে।
দীর্ঘ নির্বাসনের পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের এই প্রত্যাবর্তনকে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজনৈতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে দেখছেন।
