ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন আলহাজ্ব এ.বি.এম. মোমিনুল হক। দীর্ঘ রাজনৈতিক, সামাজিক, ক্রীড়া ও শিক্ষাক্ষেত্রে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁর প্রার্থিতা ঘিরে স্থানীয় বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
এ.বি.এম. মোমিনুল হক বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল-মাল্টি পার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি এবং দিহাঙ্গার প্রকল্পের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত পিস অ্যাম্বাসেডর নেটওয়ার্কের চিফ কো-অর্ডিনেটর হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক ও জনদুর্ভোগ নিরসনমূলক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
করোনাকালীন সময়েও তাঁর বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড স্থানীয়দের নজর কেড়েছিল বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি। দুর্যোগ ও সংকটের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সেই অভিজ্ঞতাকেই রেড ক্রিসেন্টের মতো মানবিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর প্রার্থিতার অন্যতম শক্তি হিসেবে দেখছেন অনেকে।
রাজনীতির পাশাপাশি ক্রীড়া ও শিক্ষা অঙ্গনেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। এছাড়া পাওয়ার হাউস রোডস্থ কান্দিপাড়া জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।
তাঁর সমর্থকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পথচলায় কারা নির্যাতনসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে তিনি দলের প্রতি নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনে নম্রতা, ভদ্রতা ও সজ্জনতার কারণে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে।
সমর্থকদের ভাষায়, সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি মানবিক ও দায়িত্বশীল রেড ক্রিসেন্ট কার্যক্রম নিশ্চিত করতে এ.বি.এম. মোমিনুল হকের মতো অভিজ্ঞ ও জনসম্পৃক্ত ব্যক্তির প্রয়োজন রয়েছে।
তবে নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে কে রেড ক্রিসেন্টের নেতৃত্বে আসছেন। প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড, যোগ্যতা, সততা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক কাজে ভূমিকা বিবেচনা করেই ভোটাররা তাঁদের সিদ্ধান্ত নেবেন বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন আলোচনার কেন্দ্রে একটি প্রশ্নই—মানবিক সেবার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে ভোটাররা কাকে বেছে নেবেন?

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।