ইয়েমেনে সৌদি আরবের একটি এফ–১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানপন্থী হুতি বিদ্রোহীরা। বুধবার হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে এই দাবি নিশ্চিত করেছেন।
এক বিবৃতিতে ইয়াহিয়া সারি জানান, ইয়েমেনের মারিব এলাকায় ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে সৌদি আরবের এই যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রটি স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে হুতি মুখপাত্র আরও বলেন, তাদের দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসনের মুখে হুতি বিদ্রোহীরা সৃষ্টিকর্তার সাহায্যে সৌদি জোটের যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। মারিবের আকাশসীমায় সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর সামরিক তৎপরতায় সহায়তার সময় বিমানটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, মারিবের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত মাউন্ট হেলানের কাছাকাছি এলাকায় বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে হুতিদের এই দাবির বিষয়ে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
২০১৫ সালে হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে দেশটির সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তাদের যুদ্ধ চলছে। পরবর্তী সময়ে এই সংঘাতের মধ্যে জড়িয়ে পড়ে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।
চলমান ইরান সংকটের পটভূমিতে সৌদি আরবের সঙ্গে হুতিদের দীর্ঘদিনের বিরোধ এখন নতুন রূপ নিয়েছে। সম্প্রতি সৌদি কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করে, পবিত্র মক্কা নগরীর দিকে ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুতিরা। যার জেরে মঙ্গলবার মক্কায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।
সর্বশেষ ২০১৭ সালে হুতিরা পবিত্র মক্কায় আক্রমণের চেষ্টা করেছিল এবং এর পর এবারই প্রথম সেখানে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়। তবে ধর্মীয় বা পবিত্র স্থানসমূহে হামলার এই অভিযোগ হুতিদের পক্ষ থেকে অস্বীকার করা হয়েছে। পরে সৌদি সরকার মক্কা, তাইফ ও জেদ্দায় জারি করা এই সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেয়।
মূল প্রতিবেদনের লিংক সংরক্ষিত। তথ্যটি AI দিয়ে সম্পাদিত/অনূদিত; মূল সূত্র যাচাই করতে উপরের লিংক ব্যবহার করুন।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।