আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ন
ইরান ও আমেরিকার মধ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানে পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম নির্ধারণের পদ্ধতি আবারও পরিবর্তন করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর দেশটির পেট্রোলিয়াম বিভাগ থেকে তেল শোধনাগার বা রিফাইনারিগুলোর জন্য নতুন একটি ফর্মুলা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে পেট্রোলের আমদানি মূল্য নির্ধারণ করা হবে পাকিস্তান স্টেট অয়েলের (পিএসও) প্রকৃত আমদানি কার্গোর খরচের ওপর ভিত্তি করে। যদি প্রকৃত খরচের হিসাব উপলব্ধ না থাকে, তবে শেষ কার্গোর প্রিমিয়াম এবং অতিরিক্ত খরচ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নতুন এই ফর্মুলার আওতায় রিফাইনারিগুলো আগামী ৩০ দিন পর্যন্ত পেট্রোলের দাম ২০২৬ সালের ৭ মার্চের স্তরে নির্ধারণ করতে পারবে। একইসঙ্গে প্রিমিয়াম, অতিরিক্ত খরচ এবং কাস্টমস ডিউটি ২০২৬ সালের ৭ মার্চের স্তরে রাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
আমদানি মূল্য এবং এক্স-রিফাইনারি মূল্যের মধ্যকার যে পার্থক্য থাকবে, তা রিফাইনারিগুলোকে পেট্রোলিয়াম লেভি হিসেবে জমা দিতে হবে। তবে এই পেট্রোলিয়াম লেভি সমন্বয়ের সুবিধা কেবল পেট্রোল ব্যবহারকারীরাই পাবেন, যা পেট্রোলের দাম কমার মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছাবে।
পেট্রোলিয়াম বিভাগ ইতোমধ্যেই সমস্ত তেল শোধনাগারকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে রিফাইনারিগুলোকে তাদের দৈনিক পেট্রোল বিক্রির বিস্তারিত তথ্য পেট্রোলিয়াম বিভাগ এবং ওগরাকে (OGRA) সরবরাহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি দৈনিক বিক্রয় প্রতিবেদনের সাথে সিপিআর এবং চালান জমা দিতে বলা হয়েছে। ওগরা এবং পেট্রোলিয়াম বিভাগ অতিরিক্ত লেভি পরিশোধ ও হিসাবগুলো যাচাই করে দেখবে।
উল্লেখ্য যে, ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে পাকিস্তানে প্রতি ১৫ দিন পর পর পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম সমন্বয় করা হতো। তবে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সাপ্তাহিক করা হয়। পরবর্তীতে পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম প্রতিদিনের ভিত্তিতে নির্ধারণের ব্যবস্থা চালু করা হয়, যা এ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।
সূত্র: ARY News Urdu

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।