বাঞ্ছারামপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সাবষ্টেশনের পাশেই গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি যেকোনো সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা

লেখক: ফয়সল আহমেদ খান
প্রকাশ: ৫ মাস আগে
বাঞ্ছারামপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সাবষ্টেশনের পাশেই গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি যেকোনো সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর সদর উপজেলার মাতু বাড়ির মোড়ে প্রায় ৪০ শতক ভূমির উপর অবস্থিত ৫০-৬০ কোটি টাকার কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ বাঞ্ছারামপুর জোনাল এর সাবষ্টেশনটি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সরকার ঘোষিত কে,পি, আই ( রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) এর অন্তর্ভুক্ত হলেও বৈধ/ অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সীমানা ঘেসে তৈরি হয়েছে এলপিজি গ্যাস বিক্রির দোকান,বিভিন্ন গ্যাস চালিত চা ষ্টলসহ বিভিন্ন দোকান পাট।

বাঞ্ছারামপুর পল্লী বিদ্যুৎ এর সাব স্টেশনের আশেপাশে বসবাস করেন,এমন একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন,”বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে সিলিন্ডার থাকাটা ভয়াবহ বিপদ হতে পারে।কারন,গ্যাস সিলিন্ডার সাধারণত দাহ্য পদার্থ দিয়ে তৈরি এবং উচ্চ চাপে গ্যাস ধারণ করে। সামান্য ত্রুটি বা উত্তাপের কারণে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হতে পারে, যা আশেপাশে থাকা মানুষ এবং সম্পত্তির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।”

বাঞ্ছারামপুর ফায়ার সার্ভিসের স্থানীয় কমান্ডার আ.কাদের মুঠোফোন বলেন,  “গ্যাস লিক হয়ে আগুন লাগতে পারে, যা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতরে বা আশেপাশে থাকা অন্যান্য দাহ্য পদার্থে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং বড় অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি করতে পারে।আমরা তাদের লাইসেন্স আছে কিনা খতিয়ে দেখব।”

বাঞ্ছারামপুর পল্লী বিদ্যুৎ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী গোলাম মর্তুজা বলেন,”গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ডের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, যার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে।”

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বলেন, “বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ডের কারণে আশেপাশে থাকা মানুষ আহত বা নিহত হতে পারে এবং মূল্যবান সম্পদ নষ্ট হতে পারে।
অতএব, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে গ্যাস সিলিন্ডার রাখা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এবং এটি এড়িয়ে চলা উচিত। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য, গ্যাস সিলিন্ডার সহ যেকোনো দাহ্য পদার্থ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে রাখা উচিত নয়।
আমি এবিষয় খুব শীঘ্রই খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবো”।