আওয়ামীলীগের সাবেক মন্ত্রী মাহবুব আলীর আর্শীবাদপুষ্ট জাকারিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

আওয়ামীলীগের সাবেক মন্ত্রী মাহবুব আলীর আর্শীবাদপুষ্ট জাকারিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
আওয়ামীলীগের সাবেক মন্ত্রী মাহবুব আলীর আর্শীবাদপুষ্ট জাকারিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
সংবাদটি শেয়ার করুনছবি, শিরোনাম ও সংক্ষিপ্ত বিবরণসহ
Facebook WhatsApp X Telegram

মাধবপুর (হবিগঞ্জ)প্রতিনিধি : আওয়ামীলীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান ও পযটন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলীর আর্শীবাদপুষ্ট জাকারিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাধারন মানুষের জায়গা দখল, মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষ কে হয়রানি সহ একাধিক অভিযোগে রয়েছে আওয়ামীলীগের পৃষ্টপোষক মাহবুব আলীর অন্যতম আর্শীবাদপুষ্ট লোক জাকারিয়া চৌধুরীর নামে। জাকারিয়া চৌধুরীর আওয়ামীলীগের সাবেক মন্ত্রী মাহবুব আলীর ঘনিষ্ট লোক হলেও এখনো তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চলছেন।

জাকারিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমন কমিশন সহ নানা দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগীরা। লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর গ্রামের বাসিন্দা জাকারিয়া চৌধুরী। আওয়ামীলীগের সময় হবিগঞ্জ -৪ (মাধবপুর – চুনারুঘাট) আসনের সাবেক এমপি ও বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীর অন্যতম আর্শীবাদপুষ্ট ছিলেন এই জাকারিয়া চৌধুরী। আওয়ামীলীগের প্রভাব কাঠিয়ে সরকারি জায়গা দখল, মানুষকে হুমকি দিয়ে পানির দামে জায়গা ক্রয়। আবার অনেক সাধারন মানুষকে জায়গার মূল্য না দিয়ে জায়গা রেজিষ্ট্রি করে নিয়েছেন এই জাকারিয়া চৌধুরী।

আওয়ামীলীগের মন্ত্রীর কাছের লোক পরিচয় দিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেন জাকারিয়া চৌধুরী। এর আগে গত জুলাই মাসে হবিগঞ্জ শহরের বেবিষ্ট্যান্ড এলাকা থেকে সেনাবাহিনী জাকারিয়া চৌধুরী কে গ্রেফতার করে। জাকারিয়া চৌধুরীর নামে তখন ঢাকার মীরপুর, রামপুরা, পল্টন থানায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পৃথক ৪ টি মামলা হয়। পরবর্তীতে তিনি জামিনে বের হয়ে আসেন।

আওয়ামীলীগের সাবেক মন্ত্রী মাহবুব আলীর আর্শীবাদপুষ্ট জাকারিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
আওয়ামীলীগের সাবেক মন্ত্রী মাহবুব আলীর আর্শীবাদপুষ্ট জাকারিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

ছাতিয়াইন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করারও অভিযোগ রয়েছে জাকারিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী কামরুল হাসান জানান, জাকারিয়া চৌধুরী আওয়ামীলীগের সময় মন্ত্রী এমপির নাম বিক্রি করে এলাকায় নানা অনিয়ম , দূর্নীতি করেছেন। এই সময় তার ভয়ে কেউ কথা বলার সাহস করত না। সাধারন মানুষ এক রকম জিম্মি ছিল তার নিকট।

৫ আগষ্টের পর জাকারিয়া চৌধুরী কে আইন শৃঙ্গলা বাহিনী হবিগঞ্জ শহর থেকে আটক করে। পরবর্তীতে জাকারিয়া চৌধুরী জামিনে বের হয়ে আসেন। জাকারিয়া চৌধুরীর হস্তক্ষেপে ছাতিয়াইন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান কে একটি মামলায় অন্তভুক্ত করায়।

ছাতিয়াইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপির নেতা কাসেদ চৌধুরী জানান, জাকারিয়া মুলত আওয়ামীলীগের দুষর। তবে এই সব বিষয়ে জাকারিয়া চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গুলো করা হয়েছে সব গুলো মিথ্যা। তিনি আওয়ামীলীগের কোন পদে নেই। বরং তিনি যুবদলের একজন কর্মী ছিলেন।

 

পাঠকের মতামত

মন্তব্য

আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।

পথিক নেটওয়ার্কআমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম
PothikTV ভিডিও ও লাইভ সম্প্রচার PothikTV সাহিত্য সাহিত্য, সংস্কৃতি ও লেখকবৃন্দের মঞ্চ PothikTV Marketplace বই ও শিক্ষণ সামগ্রী PothikTV Media Center মিডিয়া সংস্থা ও সেবাসমূহ