এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর ৯টি সাধারণ এবং মাদরাসা ও কারিগরি মিলিয়ে মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। বিগত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার কমেছে। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে গড় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একযোগে সারাদেশে ফল প্রকাশের ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেখানেই ফলাফলের এ সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়।
ফল জানা যাবে তিন উপায়ে
শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা তিন উপায়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারবেন। প্রথমত- পরীক্ষার্থী যে শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, সেই বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ফল পাওয়া যাবে।দ্বিতীয়ত- বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির দেওয়া দুটি ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানা যাবে। সেগুলো হলো- eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd। শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা অফিসে সরাসরি কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএস করেও ঘরে বসে ফল জানা যাবে। সেক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজিতে HSC লিখে একটি স্পেস দিতে হবে। এরপর শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। উদাহরণ: ‘HSC DHA 123456 2026’ লিখে পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে।
চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়, যা শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। তবে প্রায় ২০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।