আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ন
পাকিস্তানের ওকারা জেলার আহমেদ নগর এলাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রীকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে হত্যার এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম এআরওয়াই নিউজ।
নিহত নারীর নাম মিসবাহ। তার মায়ের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে ওকারার ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি প্রথম তথ্য বিবরণী বা এফআইআর (এফআইআর) নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত মূল স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত তানভীর দ্বিতীয় বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করতেন এবং এ নিয়ে তিনি প্রায়শই তার স্ত্রী মিসবাহর সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন। এই বিরোধেরই জেরে শেষ পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত স্বামীর সঙ্গে আরও চারজন নামীয় এবং তিনজন অজ্ঞাতপরিচয় সহযোগী জড়িত ছিল। অপরাধে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।
অন্যদিকে, করাচির গুলশান-ই-হাদীদ ফেজ-২ এলাকায় অন্য একটি সহিংসতার ঘটনায় এক নারী ও তার কিশোরী কন্যাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক কিশোর ছেলে গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্টিল টাউন থানা এলাকার একটি বাড়িতে মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন অজ্ঞাত বন্দুকধারী ঢুকে অতর্কিতে গুলিবর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান প্রায় ৪২ থেকে ৪৫ বছর বয়সী সুমাইয়া এবং তার ১৫-১৬ বছর বয়সী মেয়ে বখতাওয়ার।
এই হামলায় সুমাইয়ার ১২-১৩ বছর বয়সী ছেলে জায়েদ আলী আহত হয়। তাকে চিকিৎসার জন্য গুলশান-ই-হাদীদের একটি স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশকে দেওয়া জবানবন্দিতে আহত কিশোর জানায়, গুলির শব্দ শুনে সে পাশের রুম থেকে বের হয়ে তার মাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। হামলাকারীরা তার মাথায়ও অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। তবে সে হামলাকারীদের চিনতে পারেনি। ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে করাচি পুলিশ।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।