ক্রেতাসচেতনতায় মিষ্টি বিতরণ করলেন অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আপেল মাহমুদ

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে আনন্দবাজার এলাকায় মাছের পাইকারি ও খুচরা আড়ত এবং দোকানে অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় ওজন মেশিনে কারচুপির অভিযোগে মেসার্স সিয়াম মিয়া নামের একটি ইলিশ মাছের দোকানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
Screenshot 2026-09-10 064417
সংবাদটি শেয়ার করুনছবি, শিরোনাম ও সংক্ষিপ্ত বিবরণসহ
Facebook WhatsApp X Telegram

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর
উপজেলার আনন্দবাজারে মাছের
ওজন
মেশিনে
কারচুপির অভিযোগকে কেন্দ্র করে
ক্রেতাসচেতনতা তৈরির
আহ্বান
জানিয়েছেন মাছ
ব্যবসায়ী আপেল
মাহমুদ। তিনি
দাবি
করেছেন,
বাজারের কিছু
ইলিশ

চিংড়ি
মাছ
ব্যবসায়ী বিশেষ
কৌশলে
ওজন
মেশিনে
অনিয়ম
করে
আসছেন,
যা
সৎ
ব্যবসায়ীদেরও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এ বিষয়টা সবার নজরে আনতে গিয়ে
ওজনের মেশিনে নিজেই দড়ি বেধে  ভুক্তা
অধিকারের জরিমানায় পড়তে হয়েছে।

বুধবার
(

সেপ্টেম্বর) দুপুর
১২টার
দিকে
আনন্দবাজার এলাকায়
মাছের
পাইকারি
খুচরা
আড়ত
এবং
দোকানে
অভিযান
চালায়
জাতীয়
ভোক্তা
অধিকার
সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সময়
ওজন
মেশিনে
কারচুপির অভিযোগে মেসার্স সিয়াম
মিয়া
নামের
একটি
ইলিশ
মাছের
দোকানকে এক
লাখ
টাকা
জরিমানা করা
হয়।

ঘটনার
পর
বাজারে
গিয়ে
দেখা
যায়,
ব্যবসায়ী আপেল
মাহমুদের দোকানটি বাজারের সামনের
দিকে
অবস্থিত। পাশের
কয়েকজন
ব্যবসায়ী জানান,
আপেল
মাহমুদ
দীর্ঘদিন ধরে
সততা

সুনামের সঙ্গে
ব্যবসা
করে
আসছেন।
তাদের
ভাষ্য,
অনিয়মের বিষয়টি
নজরে
আনতে
তিনি
স্বেচ্ছায় ভোক্তা
অধিকার
সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করেছিলেন।

আপেল
মাহমুদ
বলেন,
আনন্দবাজারে ইলিশ

চিংড়ি
মাছের
কিছু
ব্যবসায়ী নিয়মিত

ধরনের
অনিয়ম
করছেন।
আমি
সততার
সঙ্গে
ব্যবসা
করি।
কিন্তু
একটি
চক্রের
কারণে
সৎভাবে
ব্যবসা
করাও
কঠিন
হয়ে
পড়ছে।

তিনি
আরও
বলেন,
ভোক্তা
অধিকারের লোকজন
এলে
আমি
চাইলে
মেশিনে
লাগানো
দড়িটি
খুলে
দিতে
পারতাম। কিন্তু
আমি
তা
করিনি।
কারণ
আমি
চেয়েছি,
বিষয়টি
সবার
সামনে
আসুক
এবং
বাজারের সব
মাছ
ব্যবসায়ীর ওজন
মেশিন
যাচাই
করা
হোক।

ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে
নিজের
বক্তব্য পুরোপুরি তুলে
ধরতে
পারেননি বলে
জানান
আপেল
মাহমুদ। তিনি
বলেন,
সেদিন
আমি
মূল
ঘটনা
বলতে
পারিনি। বরং
নিজের
দোষ
স্বীকার করে
নিয়েছিলাম। তবে
আমার
উদ্দেশ্য ছিল
বাজারে
যেন
কোনো
ক্রেতা
প্রতারিত না
হন
এবং
সবাই
যেন
সঠিক
ওজনে
মাছ
পান।

ক্রেতাদের সচেতন
করতে

অনিয়মের বিরুদ্ধে জনমত
গড়ে
ওঠায়
আনন্দ
প্রকাশ
করে
তিনি
বাজারের উপস্থিত মানুষদের মধ্যে
মিষ্টি
বিতরণ
করেন।
তার
প্রত্যাশা, মাছ
কিনতে
আসা
প্রতিটি ক্রেতা
ওজন
মেশিনের দিকে
নজর
দেবেন
এবং
কোনো
অনিয়ম
দেখলে
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।

স্থানীয়দের দাবি,
আনন্দবাজারে নিয়মিত
অভিযান

সব
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওজন
মেশিন
যাচাই
করা
হলে
ক্রেতার অধিকার
সুরক্ষিত হবে
এবং
সৎ
ব্যবসায়ীদের জন্যও
একটি
স্বচ্ছ
পরিবেশ
তৈরি
হবে।

পাঠকের মতামত

মন্তব্য

আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।

পথিক নেটওয়ার্কআমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম
PathikTV ভিডিও ও লাইভ সম্প্রচার PathikTV সাহিত্য সাহিত্য, সংস্কৃতি ও লেখকবৃন্দের মঞ্চ Pathik Marketplace বই ও শিক্ষণ সামগ্রী PathikTV Media Center মিডিয়া সংস্থা ও সেবাসমূহ