ঘরে বসেই দ্বীন শিক্ষা: প্রবাসীদের ভরসা আইআইবি অনলাইন মাদরাসা

লেখক:
প্রকাশ: ১১ minutes ago

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রবাসীদের মাঝে নিয়মিত দ্বীনের জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছে ইসলামিক ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (IIB Online Madrasah)। অনলাইনভিত্তিক এই মাদরাসাটি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য মানসম্মত ও সুসংগঠিত দ্বীন শিক্ষার ব্যবস্থা করে আসছে।

প্রতিষ্ঠান সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে আইআইবি অনলাইন মাদরাসা। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সকল বয়সী প্রবাসীদের মাঝে সহজ ও বোধগম্য পদ্ধতিতে দ্বীন শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মুফতি দেলোয়ার হোসাইন মাহদী বলেন, দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী জীবিকার তাগিদে বিদেশে অবস্থান করছে। প্রবাসে থাকায় তারা মাতৃভাষায় দেশীয় আলেমদের কাছ থেকে দ্বীন শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। অনেক ক্ষেত্রে বিদেশি আলেমদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করলেও ভাষাগত ও পরিবেশগত কারণে তা পুরোপুরি আত্মস্থ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, এসব বিষয় বিবেচনায় রেখেই আইআইবি অনলাইন মাদরাসার যাত্রা শুরু হয়, যাতে প্রবাসীরা ঘরে বসেই মাতৃভাষায় দ্বীন শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। এখানে কর্মরত শিক্ষকরা অত্যন্ত দক্ষ ও যোগ্যতাসম্পন্ন। তাদের মধ্যে অধিকাংশই মিশরের বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়াতুল আজহার ইউনিভার্সিটি-তে উচ্চতর গবেষণায় নিয়োজিত।

ইতোমধ্যে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনেক প্রবাসী দ্বীন শিক্ষা গ্রহণ করেছেন এবং এখনও করছেন। শিক্ষার মান ভালো হওয়ায় একজন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে অন্য শিক্ষার্থীরা উদ্বুদ্ধ হয়ে ভর্তি হচ্ছেন। ফলে দিন দিন এর কার্যক্রম বিস্তৃত হচ্ছে এবং ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি শুধু প্রবাসীদের দ্বীন শিক্ষায় ভূমিকা রাখছে না, বরং অনেক আলেমের জন্য অনলাইনভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় আরও বেশ কিছু কার্যক্রম রয়েছে, যেগুলোর বিস্তারিত ওয়েবসাইটে উল্লেখ আছে। বিভিন্ন কারণে এখনো সেগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি, তবে অচিরেই তা বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রবাসীদের জন্য নির্ভরযোগ্য একটি অনলাইন দ্বীন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ইতোমধ্যেই আস্থা অর্জন করেছে আইআইবি অনলাইন মাদরাসা—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।