জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৫ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতীকী ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৫ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতীকী ম্যারাথন অনুষ্ঠিত
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৫ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতীকী ম্যারাথন অনুষ্ঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুনছবি, শিরোনাম ও সংক্ষিপ্ত বিবরণসহ
Facebook WhatsApp X Telegram

জাতীয় ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস” উপলক্ষে ১৮ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন এবং জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আজ এক বর্ণাঢ্য প্রতীকী ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধপূর্ব রাজনৈতিক আন্দোলনের গতি-প্রকৃতি ও জনগণের অংশগ্রহণের স্মারক হিসেবে দিনটি প্রতি বছর শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়। এই উপলক্ষে আয়োজনটি জেলার নাগরিকদের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মাঝে জাতীয় ইতিহাস, গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে গ্রহণ করা হয়।

সকালে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সিমনা সড়কে জমায়েত হতে থাকেন বিভিন্ন বয়সের অংশগ্রহণকারীরা। শহরের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ক্রীড়াবিদ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা উৎসবমুখর পরিবেশে এই প্রতীকী ম্যারাথনে অংশ নেন।

ম্যারাথনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সম্মানিত জেলা প্রশাসক দিদারুল আলম।

তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই দিবসটি নতুন প্রজন্মকে আমাদের গৌরবময় ইতিহাস জানাতে পরবে। এই ম্যারাথনের মাধ্যমে আমরা শুধু দৌড়াইনি, আমরা ইতিহাসকে স্মরণ করেছি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূঁইয়া,ডিডিএলজি ও পৌর প্রশাসক শংকর কুমার বিশ্বাস, বিজয়নগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাধনা ত্রিপুরা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তার , জেলা জামায়াতে ইসলামের আমির মোবারক হোসেন আখন্দ সহ আরো অনেকই।

অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতীকী ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারী সকলকে সনদপত্র প্রদান করা হয় এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনেকেই এই আয়োজনকে যুগোপযোগী ও শিক্ষনীয় বলে মন্তব্য করেন।

এই প্রতীকী ম্যারাথন শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া আয়োজন ছিল না, এটি ছিল ইতিহাস, চেতনা, দেশপ্রেম ও ঐক্যের বহিঃপ্রকাশ। আয়োজকেরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় দিবসগুলো আরও গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হবে।

পাঠকের মতামত

মন্তব্য

আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।

পথিক নেটওয়ার্কআমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম
PothikTV ভিডিও ও লাইভ সম্প্রচার PothikTV সাহিত্য সাহিত্য, সংস্কৃতি ও লেখকবৃন্দের মঞ্চ PothikTV Marketplace বই ও শিক্ষণ সামগ্রী PothikTV Media Center মিডিয়া সংস্থা ও সেবাসমূহ