বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে ‘রওয়ানা দিছি, আইতেছি’ বার্তা পাঠানো তরুণ আর ঘরে ফেরেননি। পরদিন তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর দিন গড়ালেও শেষ রাতের ক্লু খুঁজে পাচ্ছেন না তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
তাহসিফের শেষ রাতের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে যুক্ত ঘটনাগুলো নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠে এসেছে। তিনি কোথায় কার সঙ্গে ছিলেন এবং কীভাবে তার লাশ নদীতে পৌঁছালো, সে বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট কোনো তথ্য মেলেনি।
পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে এই অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চরম উৎকণ্ঠা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার পেছনের রহস্য উন্মোচনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো অপরাধমূলক চক্রের হাত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতের সিসিটিভি ফুটেজ, কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) এবং পারিপার্শ্বিক আলামত বিশ্লেষণ করে আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। তদন্ত অগ্রগতি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।