ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পুলিশের অভিযানের সময় এক যুবলীগ নেতাকে পালাতে সহযোগিতার অভিযোগে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজয়নগর থানায় দায়ের করা মামলায় বুধন্তী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
জানা গেছে, ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডের ইউনুস মিয়ার দোকানে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের লক্ষ্য ছিলেন বুধন্তী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মিয়া।
পুলিশ সূত্র ও একটি ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, পুলিশ পৌঁছানোর পর মিজানুর রহমান কৌশলে সোহাগ মিয়াকে পালাতে সহায়তা করেন। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, পুলিশ দোকানে প্রবেশের চেষ্টা করলেও মিজানুর বাধা দেন। পরে দোকানের ভেতর থেকে সোহাগ মিয়া দৌড়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর জেলা যুবদল থেকে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
তবে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমি মোবাইল ফোনের সিমকার্ড তোলার জন্য দোকানে গিয়েছিলাম। পুলিশ আমার নাম জানতে চায় এবং এ নিয়ে তাদের সঙ্গে আমার তর্ক হয়। দোকান থেকে কেউ পালিয়েছে কি না, আমি জানি না।”
তিনি আরও বলেন, “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। দীর্ঘদিন ধরে জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়ে আবারও একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি। দল যদি শোকজ করে, আমি তার উত্তর দেব এবং প্রমাণ করব যে অভিযোগ সত্য নয়।”
বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এসআই সুমন চন্দ্র দাস বাদী হয়ে মিজানুর রহমানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
পালিয়ে যাওয়া যুবলীগ নেতা সোহাগ মিয়া ও অভিযুক্ত যুবদল নেতা মিজানুর রহমান – দু’জনকেই এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।