আই.ইউ. ইসলামিক ইনস্টিটিউট ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে শিক্ষার মানোন্নয়ন শীর্ষক অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও পরিচালক আলহাজ্ব এডভোকেট মাওলানা মো. ইসলাম উদ্দিন দুলাল। প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি অনার্স কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান পীরে তরিকত শাহ সুফি প্রফেসর নূর মোহাম্মদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর নূর মোহাম্মদ বলেন, “একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আই.ইউ. ইসলামিক ইনস্টিটিউট একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার মানোন্নয়ন, ইসলামিক স্কলার, যোগ্য হাফেজে কুরআন ও আদর্শ নাগরিক তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।”
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ইনস্টিটিউটের অ্যাডমিন অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান আশরাফী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ আব্দুল হক আল আজাদ, অ্যাডভোকেট সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান নোমান, আলহাজ্ব আব্দুল মালেক, উপাধ্যক্ষ মাওলানা রাফিউদ্দিন, মাওলানা আলী আকবর, মাস্টার আনোয়ার হোসাইন, মাস্টার মাওলানা আবুল বাইয়ান, মো. আব্দুল হান্নান, মাওলানা মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ এমদাদুল হক, মো. সুমন, নাসরিন সুলতানা, মোহাম্মদ আমানুল্লাহ ও মোহাম্মদ হাসান রাজাসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, নবীন-প্রবীণ একঝাঁক মেধাবী শিক্ষকের সমন্বয়ে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আধুনিক শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সম্মিলিত ভূমিকার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
অনুষ্ঠানে শতাধিক অভিভাবক, শিক্ষানুরাগী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। আনন্দঘন পরিবেশে হিফজুল কুরআন সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের পাগড়ি পরিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। পাশাপাশি শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন মরিয়ম আক্তার ইরানি, সাইফা আক্তার, সানজিদা, শান্তা, নুসরাত এবং নূরানী বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ আরাফাত রেজা ও মোহাম্মদ কাউসার হোসাইন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইনস্টিটিউটের তাহফিজুল কুরআন বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওলানা ইকরাম হোসাইন।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।