খেলাধুলা ডেস্ক: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন
জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে বসতঘরের মেঝেতে লাশ মাটিচাপা দিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জামিনুর ইসলাম (৩২) নামের এক ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত জামিনুর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন।
রোববার রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। পুলিশ জানায়, নিহত শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
সহকারী পুলিশ সুপার জানান, জামিনুরের মেয়ের সহপাঠী ছিল ওই শিশুটি। বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে এবং বিদ্যালয় থেকে জামিনুরের বাড়িতে গিয়ে সে তার মেয়ের সঙ্গে খেলাধুলা করত। গত বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর থেকেই শিশুটি নিখোঁজ হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় থেকে শিশুটি তার সহপাঠীকে খুঁজতে তাদের বাড়িতে যায়। তবে ওই সময় জামিনুরের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে তাঁর বোনের বাড়িতে রান্না করতে গিয়েছিলেন। ফলে জামিনুর ছাড়া বাড়িতে আর কেউ ছিলেন না।
বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে জামিনুর শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে ওড়না পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং নিজের ঘরের মেঝেতে গর্ত করে লাশ মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়।
পরবর্তীতে গত শনিবার রাতে জামিনুরের বসতঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে জামিনুর ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী সবুজাকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার বিষয়ে নিহত শিশুটির মামা উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। তিনি বলেন, পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলেও শুধু গ্রেপ্তারে তারা সন্তুষ্ট নন; এই নিষ্ঠুর ঘটনার কঠোর বিচার চান তাঁরা।
অথেন্টিক সোর্স: প্রথম আলো মূল প্রতিবেদনের লিংক সংরক্ষিত। তথ্যটি AI দিয়ে সম্পাদিত/অনূদিত; মূল সূত্র যাচাই করতে উপরের লিংক ব্যবহার করুন।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।