মোংলায় বৈধ কাগজপত্র ও দখল থাকার পরও একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

মোংলায় বৈধ কাগজপত্র ও দখল থাকার পরও একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ
মোংলায় বৈধ কাগজপত্র ও দখল থাকার পরও একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ
Share this storyWith image, headline and summary
Facebook WhatsApp X Telegram

রামপাল ( বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের মোংলার মিঠাখালী ইউনিয়নের ২’নং ওয়ার্ডের দওেরমেঠ এলাকায় বৈধ কাগজপত্র ও দখল থাকার পরও জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, একের পর এক আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি’সহ মিথ্যা মামলা মকদ্দমা থেকে নিষ্পত্তি করার জন্য ৩’ লক্ষ টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগমের বিরুদ্ধে।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী, ফিরোজা বেগমের কাছে জমির সঠিক মালিকানার কোনো দলিল না থাকলেও প্রায়ই তারা ভুক্তভোগী পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা করেন। দখলে ব্যর্থ হয়ে তিনি সোহাগ ব্যাপারী, খালেক ব্যাপারী, ফারুক ব্যাপারী ও মালেক ব্যাপারী’র বিরুদ্ধে বাগেরহাট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় প্রবেশের নিষেধাজ্ঞার একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় মোংলা এসিল্যান্ড’সহ দওেরমেঠ ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা তদন্ত করে ভুক্তভোগী মোঃ সোহাগ ব্যাপারীর প্রকৃত অর্থে ক্রয় করা জমিটি বলে প্রতিবেদন দেন বা মামলাটির নিষ্পত্তি হয়। এ-র পরেও একই দাগ – খতিয়ান দিয়ে নাম উল্টে পাল্টে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সোহাগ ব্যাপারী, ফারুক ব্যাপারী জানান, মোংলা উপজেলাধীন জে এস ১৬০ নং দওেরমেঠ মৌজার এস এ ১৫৪ ও ১৫৫ নং খতিয়ানের বি আর এস ৮৪ না খতিয়ানে এস এ ১১০২ ও ১০৪৭ দাগ স্থলে বি আর এস ২০৭৬ সাে খাড়ী ০.১৯ একর জমি তারা দীর্ঘ ২০ – ২৫ বছর ধরে জায়গাটি ভোগদখল করে আসছে। ভোগদখলে থাকা জমি থেকে তাদের উচ্ছেদ করতে চায়। অথচ আমরা এ জায়গাটির সঠিক দলিলপত্র দেখে আমার ফুপুর কাছ থেকে কিনেছি বরং মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগমের কোনো বৈধ দলিল নেই। এ ব্যাপারটি নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয়ভাবে কয়েকবার বসা হলেও মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগম কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি এবং তারা মানেন না-ই। এবং আমরা যদি তাদের কে ৩’লক্ষ টাকা দেই তাহলে আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা একের পর এক মামলা মকদ্দমা নিষ্পত্তি করবে বলে লোক মুখে জানিয়েছেন। এই একের পর এক মিথ্যা মামলার নিষ্পত্তি’সহ আমরা ন্যায়বিচারের প্রাপ্তি চাই।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সোহাগ ব্যাপারীর স্ত্রী ময়না খাতুন জানান, আমার স্বামী একজন প্রতিদ্ধী মানুষ রোজগার করতে পারে না। তাই আমি জীবিকা নির্বাহ করার জন্য ইপিজেডে চাকুরি করি, এবং প্রতি মাস শেষে বেতনের যে টাকা পাই তা দিয়ে সংসার খরচ মিটিয়ে কিছু টাকা বহুদিন ধরে জুগিয়েছি এই বৈধ কাগজ পত্র দেখে এ জায়গাটি আমার ফুপাতো শাশুড়ীর কাছ থেকে ক্রয় করেছি। স্বামী ও আমার ক্রয় করা জমি নিয়ে এখন তারা একের পরে এক মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে। তাই দ্রুত আমরা এই মিথ্যা মামলা মকদ্দমা থেকে নিষ্পত্তি চাই বা মুক্তি চাই।

এ বিষয়ে ‎অভিযুক্ত মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, ‘এই জমিটি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। এ বিষয়ে আমরা আদালতে মামলা করেছি, এখন আদালতই সিদ্ধান্ত দেবেন। তবে প্রথম মামলার নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়া পরবর্তীতে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে জান, এবং দ্রুতই ঘটনা স্থল ত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, ‘এ বিষয়ে আমরা অবগত আছি, বিষয়টি নিয়ে আমরা একাধিক বার স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিদের নিয়ে মিমাংসার জন্য বসিয়েছি। কিন্তু কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তবে তারা ৩’লক্ষ টাকা দাবি করেছে যদি ভুক্তভোগী পরিবার টাকা গুলো দিলে তারা আর মামলা মকদ্দমায় জাবেন না।

পাঠকের মতামত

মন্তব্য

আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।

পথিক নেটওয়ার্কআমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম
PothikTV ভিডিও ও লাইভ সম্প্রচার PothikTV সাহিত্য সাহিত্য, সংস্কৃতি ও লেখকবৃন্দের মঞ্চ PothikTV Marketplace বই ও শিক্ষণ সামগ্রী PothikTV Media Center মিডিয়া সংস্থা ও সেবাসমূহ