বাংলাদেশ ডেস্ক: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থায় গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা উন্নয়নের অন্যতম সহায়ক শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেছেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের কর্মকাণ্ডের ত্রুটি-বিচ্যুতিও গণমাধ্যমকে তুলে ধরতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতৃত্বসহ সব সদস্যকে শুভেচ্ছা জানান প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। দায়িত্বশীল ও স্বাধীন গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। জনগণের সমস্যা, প্রত্যাশা, সাফল্য ও সম্ভাবনার কথা নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার মূল শক্তি সত্যনিষ্ঠা, বস্তুনিষ্ঠতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতা। তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে সংবাদ এখন মানুষের কাছে অত্যন্ত দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে। তবে এর পাশাপাশি গুজব, অপতথ্য ও যাচাই-বাছাইহীন সংবাদ সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
হাবিবুর রশিদ হাবিব মনে করেন, দ্রুত সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সঠিক ও যাচাই করা তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া সাংবাদিকদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সড়ক পরিবহন ও রেল যোগাযোগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরকার উন্নয়ন ও সংস্কারের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন ও বাস্তবভিত্তিক মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
জনগণের সেবা আরও সহজ, নিরাপদ ও কার্যকর করতে সরকার, গণমাধ্যম এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ পথচলায় ডিআরইউ দেশের সাংবাদিক সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ সংগঠন হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, কল্যাণ ও পারস্পরিক সহযোগিতায় সংগঠনটির ভূমিকা প্রশংসনীয়।
ডিআরইউর উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে সবাই মিলে একটি সমৃদ্ধ, উন্নত, নিরাপদ ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার এবং মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, এবং জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, পিআইবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসেত জামান, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ডিএমডি অসীম কুমার সাহা, বেসিস ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেলাল খান, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান কাজিমুজ্জামান, ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন্দ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।
মূল প্রতিবেদনের লিংক সংরক্ষিত। তথ্যটি AI দিয়ে সম্পাদিত/অনূদিত; মূল সূত্র যাচাই করতে উপরের লিংক ব্যবহার করুন।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।