সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, ২০০৭ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে ডিজিএফআই কার্যত মুখ্য নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করেছিল। এই সময় বেসামরিক ব্যক্তি, মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতাদের তুলে এনে সেলে আটক রেখে জিজ্ঞাসাবাদ ও নির্যাতন করা হতো।
জবানবন্দিতে তিনি বলেন, বেসামরিক ব্যক্তিদের আটক করা একসময় অভ্যাসে পরিণত হয়, ফলে যেকোনো ব্যক্তিকে ইচ্ছামতো আচরণ করতে বাধ্য করা যেত। সাবেক সেনাপ্রধানের বক্তব্য অনুযায়ী, অনেক মন্ত্রী ও এমপির নির্দেশে তারেক রহমানকেও তুলে এনে নির্যাতন করা হয়েছিল।
তিনি সেনাবাহিনী পরিচালিত অপারেশন ক্লিন হার্টের ঘটনাও উল্লেখ করেন। সরকারি ভাষ্য অনুসারে অভিযানের সময় ১২ জনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছিল, তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের হিসাবে সংখ্যা প্রায় ৬০। পরে অভিযানে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়, যা ‘লাইসেন্স টু কিল’-এর সমতুল্য বলে মন্তব্য করেন ইকবাল করিম।
মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম, আর আসামিপক্ষে ছিলেন নাজনীন নাহার ও মুনসুরুল হক চৌধুরী। ৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাবেক সেনাপ্রধান জবানবন্দি দিচ্ছেন।

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।